বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পর্ষদ চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা করছে। পুরোনো বোয়িংগুলো সরিয়ে নতুন বোয়িং রিপ্লেস করতে চায়। এতে বিমানের যাত্রীসেবা আরও উন্নত হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে ২৫শতাংশ দেশি যাত্রী সার্ভ করছি। তাই আমাদের বেশি বোয়িং প্রয়োজন। আমাদের বাইরের এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেক দূর যেতে হবে।’
আরও পড়ুন:
বোয়িংয়ের বাণিজ্যিক বিমান বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিঘি বলেন, ‘এ ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে। বাংলাদেশের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে গর্বিত। এ ক্রয়কৃত উড়োজাহাজ বাংলাদেশের যাত্রীদের আকাশপথের যাত্রা নিরাপদ ও সম্প্রসারিত করবে।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
তিনি বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এভিয়েশন খাতকে নিয়ে অনেক বেশি এম্বিশিয়াস প্রধানমন্ত্রী।’





