প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। শুধু সেচের জন্য নয়, পানির সংকট কাটাতেই খাল খনন করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘বাজেটের জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে রাখতে চায় সরকার।
সংসদে বিতর্কের মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্র এগিয়ে যায় বলেও জানান সরকারপ্রধান।
তিনি বলেন, ‘একটি সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে বিরোধীদল ও সরকারি দলের গন্তব্য এক ও অভিন্ন। সংসদে বিতর্কের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র এগিয়ে যায়। যেসব বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে সেসব বিষয়ে দেশের স্বার্থে আলোচনা করে সমাধান করা হবে।’
আরও পড়ুন:
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে দেয়ার সুযোগ এখনো আছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘জামায়াত ও এনসিপির সহযোগিতা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়া হবে। জামায়াত, এনসিপিসহ সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাস নিয়ে আলাপ করে বেকারত্ব সমাধান করা যাবে না। দেশের মানুষ রাজনৈতিক বিতর্ক চায় না, দেশের মানুষ সেবা চায়।’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত— বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারটি বসতে মোটেই আরাম না। প্রতি মুহূর্তে আগুনের তপ্ত উত্তাপ আসে। সবসময় পপুলার কথা বলা যায় না। সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে, পপুলার সিদ্ধান্ত নয়।’
তিনি বলেন, ‘আগামীর অধিবেশনে আলোচনা করা হবে কত দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করতে পারবো। কত বেশি কর্মসংস্থান করতে পারি, সেটাই হবে আলোচ্য বিষয়।’
আরও পড়ুন:
সরকারপ্রধান বলেন, ‘৩০ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে চলা সরকার চলতে হলে দেশের স্থিতিশীলতা রাখতেই হবে। এজন্য বিরোধীদল ও সরকার দল মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’
কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘সংসদে আলোচনার বিষয়বস্তু হবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার। বিভিন্নভাবে গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে পারিনি।’





