এবারের মৌসুমে ইউরোপের দলগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা ইনফর্ম ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। এরইমাঝে নিশ্চিত করে ফেলেছে বুন্দেসলিগার টাইটেল। জার্মান কাপের ফাইনালে যাওয়ার পাশাপাশি রিয়াল মাদ্রিদের মতো শক্তিশালী ক্লাবকে দুই লেগে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে আসে দলটি। তাই মৌসুমে ট্রেবল জয়ের স্বপ্ন দেখা জার্মান জায়ান্টের জন্য কোনো ভুল চিন্তা নয়।
এবারের মৌসুমে ইউরোপের ইনফর্ম ক্লাবের আরেকটি পিএসজি। লিগ ওয়ানের টাইটেল নিশ্চিত না হলেও শিরোপা যেতে চলেছে তাদের ঘরেই, অন্তত পয়েন্ট টেবিল তাই বলছে। অন্যদিকে ইউসিএলের কোয়ার্টারে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলকে নিজেদের বিপক্ষে দাঁড়াতেই দেয়নি পিএসজি। তবে সাম্প্রতিক হেড টু হেড পারফরম্যান্সে বায়ার্নের সাথে ফলাফল পক্ষে না আসা খানিকটা মানসিকভাবেও পিছিয়ে থাকবে পিএসজিকে।
আরও পড়ুন:
শেষ চার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে জার্মান জায়ান্টের বিপক্ষে একটি জয়ও নেই পিএসজির। তবে ক্লাব বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বাভারিয়ানদের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় সেমিফাইনালের আগে কিছুটা হলেও স্বস্তি জোগাবে।
এমন ম্যাচে কাউকেই আগেভাগে ফেবারিট বলতে নারাজ পিএসজির কোচ লুইস এনরিকে। ম্যাচের দৃশ্যের সাথে খাপ খাইয়ে খেলার চেষ্টা করে জয় ছিনিয়ে নেয়ায় প্রধান কাজ বলে মনে করছেন এনরিকে। যদিও প্রতিটা মুহুর্তেই বায়ার্নকে সমীহ করেই কথা বলেছেন দলটিকে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতানো কোচ।
পিএসজির ম্যানেজার এনরিক বলেন, ‘আমার কাছে এ ধরনের ম্যাচে কোনো ফেবারিট দল নেই। চেলসি কিংবা লিভারপুলের বিপক্ষে শেষ দুই নকআউট ম্যাচে আমাদের জন্য একই ব্যাপার ছিলো। এ ধরনের ম্যাচে ছোট ছোট সব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যোগ্য দল এবং ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাসও রয়েছে। তবে একইসাথে ভাবতে হবে বায়ার্নের বিপক্ষে খেলাটা কত কঠিন।’
অন্যদিকে বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির সুরও অনেকটা এনরিকের মতোই। ঘরের মাঠে যে কোনো উপায়েই জিততে চাইবে পিএসজি, এমনটাই জানান তিনি। তবে ফুটবলারদের দিয়ে সর্বোচ্চটা বের করে আনতে আশাবাদী ভিনসেন্ট।
আরও পড়ুন:
বায়ার্ন মিউনিখের ম্যানেজার ভিনসেন্ট কোম্পানি বলেন, ‘উভয় দলের খেলার ধরন দেখলেই বোঝা যায়, আমাদের জন্য খুবই কঠিন ম্যাচ অপেক্ষা করছে। আমাদের পরিকল্পনা তারা যে কোনো উপায়ে থামানোর চেষ্টা করবে। অন্যদিকে আমরাও একই কাজ করার জন্য প্রস্তুত। খেলার প্রতি মুহূর্তে ডিফেন্সিভ থাকলেও কীভাবে গোল করা যায় সেটা। আমরা যেমন ভাবি তাদেরও একই চিন্তা। তাই পুরো ম্যাচটাই হবে ঝড়ের মতো গতিশীল।’
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবারের যাত্রায় শক্তি ও সামর্থ্যে উভয় দলই কাছাকাছি। এবারে ইউসিএলে সর্বোচ্চ ৩৮ গোল করেছে উভয় দলই। এসব পরিসংখ্যান ও ইঙ্গিত দেয় এক রোমাঞ্চকর ম্যাচ উপহার দিতে যাচ্ছে বায়ার্ন ও পিএসজি।





