স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে এনজিও গাকের দেয়া স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সেদ্ধ ডিম খাওয়ার পর শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও এনজিও কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। পরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসাহাক আলী গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি মেডিকেল টিমসহ ঘটনাস্থলে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
স্কুল ফিডিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাকের ফিল্ড অফিসার রাসেল রানা জানান, উপজেলার ১১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমরা স্কুল ফিডিং সরবরাহ করে থাকি। রোববার উপজেলার কোথাও কোনো সমস্যা না হলেও একটি মাত্র বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
মকরমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মমতাজ খাতুন জানান, রোববার স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খাওয়ার পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে কর্তৃপক্ষ মেডিকেল টিম নিয়ে এসে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা প্রদান করেন।
গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসাহাক আলী জানান, সংবাদ পেয়ে দ্রুত মেডিকেল টিমসহ বিদ্যালয়ে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সুস্থ আছে।’
এর আগে ২৫ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এছাড়াও ২২ এপ্রিল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার খেয়ে অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘গাককে’ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।





