বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফাতিহ বিরোল বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে থাকায় এবং এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের সরকার যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছে, তার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদার ওপর একটি নিম্নমুখী চাপ তৈরি হবে।’
ইরান যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে তিনি জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্ব প্রতিদিন গড়ে ১ কোটি ৩০ লাখ (১৩ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল উৎপাদন হারিয়েছে। সরবরাহে এই বিশাল ঘাটতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাজারে হাহাকার শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং লোহিত সাগরে অস্থিরতার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের অবাধ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম যেমন বাড়ছে, তেমনি অনেক দেশ তেল ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ বা রেশনিং আরোপ করতে বাধ্য হচ্ছে। আইইএ প্রধানের এই সতর্কবার্তা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে এর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।





