প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি স্পেশাল ট্রেনিং গ্রহণ করেছিলেন। এ প্রশিক্ষণের মধ্যে ছিল নিরাপদ যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার এবং বিস্ফোরক প্রজেক্টাইল তৈরি।
অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি ইরানের সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি নিজেদের কর্মকাণ্ডের ভিডিও তাদের নিয়ন্ত্রণকারীদের কাছে পাঠাতেন। এর বিনিময়ে তারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে পারিশ্রমিক গ্রহণ করতেন।
২০২৫ সালে অন্তত ১ হাজার ৬৩৯ জনের ফাঁসি কার্যকর করেছে ইরান, যা ১৯৮৯ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে যেখানে ৯৭৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল, তার তুলনায় ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ৬৮ শতাংশ বেড়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪৮ জন নারীও রয়েছেন, যাদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ইসলামি প্রজাতন্ত্র যদি বর্তমান সংকট থেকে টিকে যায়, তাহলে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে মৃত্যুদণ্ড আরও ব্যাপকভাবে ব্যবহারের ঝুঁকি রয়েছে।





