একাধিক অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান কমিটিকে ভেঙে দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। নির্বাচন কারচুপির অভিযোগে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পরপরই নিজেদের আইনি ক্ষমতায় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ড ভেঙে দেয় এনএসসি। এরপরেই নির্বাচন আয়োজন করতে গঠন করা হয় অ্যাড-হক কমিটি। যদিও অ্যাড-হক কমিটি তৈরি এবং এর সদস্যদের নিয়ে আছে অনেক প্রশ্ন।
তিন মাসের দায়িত্বে বিসিবির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসা অনেকেই সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ ক্রিকেট ভক্তদের। যদিও এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল ইহসান বলছেন, কোনো প্রকার সরকারি চাপ ছাড়াই গঠন করা হয়েছে এ কমিটি।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল ইহসান বলেন, ‘চেয়ারম্যান মহোদয় যেহেতু করেছেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা স্বাধীনভাবেই করা হয়েছে। ওনাদেরকে এনএসসি এ দায়িত্বপালনে উপযুক্ত মনে করেছেন। তাই কর্তৃপক্ষ তাদেরকে তিন মাসের জন্য দায়িত্ব পালনের জন্য বেছে নিয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কাউকে সুস্পষ্টভাবে দায়ী করা হচ্ছে না। যদিও এনএসসি জানিয়েছে, নির্বাচনের কারচুপির সঙ্গে জড়িত ছিলেন তৎকালীন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ আরও অনেকেই। দুই বক্তব্য সাংঘর্ষিক কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন এনএসসি পরিচালক।
আমিনুল ইহসান বলেন, ‘বিষয়টি সাংঘর্ষিক না, যখন কোনো তদন্তকমিঠি গঠন করা হয়। তারা যখন কাজ করে তাদের চোখে তো কোনো না কোনো কিছু ধরা পরে। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে দোষারোপের জন্য কাজ করনি।’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রত্যাশা, সব বিতর্ক পার করে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটির কাছে সুষ্ঠুভাবে ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব হস্তান্তর করবে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাড-হক কমিটি।





