গত বছর সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের জন্য মাবিয়ার নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। পরীক্ষায় তাঁর শরীরে নিষিদ্ধ ফুরোসেমাইড ও ক্যানরেনোন-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তাকে এই শাস্তির আওতায় আনে ওয়ার্ল্ড এন্টি ডোপিং এজেন্সি -ওয়াডা। মাবিয়ার সেবনকৃত ঔষুধের কারণে রক্তচাপ কমানো, হৃদযন্ত্রের ফেলিওর, শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়ার কাজ করে।
আরও পড়ুন:
শারীরিক কারণে এটা মাবিয়ার প্রয়োজন থাকলেও ভারত্তোলনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। যে কারণে তাকে এ শাস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে এই ভারত্তোলককে। গেলো বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই নিষেধাজ্ঞার খবর পায় মাবিয়া। ১৪ দিনের সময়সীমার মধ্যে আপিল করার সুযোগ থাকছে মাবিয়ার।
২০১২ সালে জাতীয় দলে ক্যারিয়ার শুরু করা মাবিয়ার জিতেছেন আন্তর্জাতিক পাঁচটি স্বর্ণ পদক। ২০১৬ ও ২০১৯ এসএ গেমসে টানা দুবার স্বর্ণ জিতেন মাবিয়া।





