জাপান ও জার্মানিসহ কয়েকটি দেশের আমদানিকারকেরা স্বল্পমেয়াদি সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। ব্যক্তিগত তথ্য হওয়ায় তারা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন।
হিউস্টনে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সেরা উইক সম্মেলনের ফাঁকে প্রাথমিক পর্যায়ের এ আলোচনা চলছে। ইরানের যুদ্ধে রাস লাফান প্ল্যান্টে হামলার পর বৈশ্বিক এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বাজারের বাইরে চলে গেছে, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় নজিরবিহীন চাপ তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন:
যুদ্ধ শুরুর আগে কাতার ছিল বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানিকারক। সংযুক্ত আরব আমিরাত বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টন এলএনজি উৎপাদন করে।
এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এলএনজি উৎপাদকরা, যারা আগেই অনুকূল অবস্থানে ছিল, তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কাতারের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি বাজার অংশীদারত্ব অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।





