ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেটে ব্যস্ততা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো ক্রিকেটীয় পরাশক্তিদের বিপক্ষে লড়তে হবে বাংলাদেশকে। আর কঠিন এক সময়ে নির্বাচক প্যানেলে পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বে বিশ্বকাপের আগপর্যন্ত ক্রিকেটার নির্বাচনের দায়িত্ব সামলাবেন হাসিবুল হোসেন শান্ত, নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরী।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরদিনই বিসিবিতে এসে বর্তমান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপুর সঙ্গে একদফা আলোচনা সেরেছেন হাবিবুল বাশার। জানালেন, ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেও, পাইপলাইনে ক্রিকেটার বাড়াতে চান তিনি।
বিসিবি প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘এ বছর অনেক খেলা রয়েছে। অনেক গ্রুপ নিয়ে কাজ করতে হবে। ব্যাক টু ব্যাক সিরিজ আছে। আমাদের প্লেয়ার বাড়তে হবে। যেন খারাপ দিয়ে খারাপ রিপ্লেস করতে না হয়। সবাই ভালো করে। এই গ্রুপের বাহিরে যারা আছেন তাদের নিয়েও কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো চার নির্বাচককে আলাদা আলাদা জোনে ভাগ করা হয়েছে। বিষয়টিকে ইতিবাচক নজরেই দেখছেন প্রধান নির্বাচক।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখন হরিজন খেলার দিকে যাচ্ছি। একজনের পক্ষে সবদিকে যাওয়া অসম্ভব। তাই কোনো একটি জোন ভাগ করে দিলে তিনি ওই জোনে গিয়ে কাজ করতে পারবেন।’
দেশের ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনের খুব কাছাকাছিই আছেন সাকিব আল হাসান। অবশ্য পরিকল্পনাতে থাকলেও সাকিবকে তড়িঘড়ি করে ফেরাতে নারাজ হাবিবুল বাশার।
তিনি আরও বলেন, ‘সে আসলে প্রিপ্রার্ড হয়েই আসবে। এটি ইমোশনের জায়গা না। আমি সাকিবকে লম্বা সময়ের জন্য চিন্তা করি ‘
আগামী এপ্রিল থেকে দায়িত্ব নেবে হাবিবুল বাশারের নির্বাচক প্যানেল।





