রোববার ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই দৃশ্যমান ইসরাইলের শহরগুলোতে চালানো আইআরজিসির হামলার ক্ষতচিহ্ন। রাত পেরিয়ে সকাল হলেও, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ভবনগুলো থেকে নির্গত হতে থাকে কালো ধোঁয়া। জানান দেয়, ইরানের প্রতিশোধের আগুনের তীব্রতা।
নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলার জেরে দক্ষিণ ইসরাইলের ডিমোনা, আরাদসহ বেশ কয়েকটি শহরে তাণ্ডব চালায় ইরানের একের পর এক ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র। ইসরাইলের প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছেও হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। অভিযানে ২০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে ইরান দাবি করলেও ইসরাইল জানায়, অন্তত ১৮০ জন আহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আরও পড়ুন:
হামলা পর আরাদের ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শনে যান ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। স্বীকার করেন শনিবারের দিনটি ছিল ইসরাইলিদের জন্য ভয়াবহ । এর জবাবে ইরানের স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘ঠিক সময়ে সাইরেন বেজে ওঠায় হামলা ভয়াবহ হলেও কেউ প্রাণ হারাননি। তবে অনেকেই হতাহত হয়েছেন। সবাইকে আহ্বান জানাবো, সাইরেন বেজে উঠলেই বাঙ্কারে চলে যেতে। তাহলে আহতের সংখ্যা কমানো যাবে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থা বলছে, শনিবারের হামলায় ডিমোনার পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। এছাড়া অস্বাভাবিক তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আর ইসরাইলের সামরিক বাহিনী জানায়, সংঘাত শুরুর পর ইসরাইলে চার শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। যার ৯২ শতাংশ মাঝ আকাশেই প্রতিহতের দাবি আইডিএফের।
সংঘাত শুরুর পর থেকেই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র- ইসরাইলের যৌথ হামলায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে তথ্য প্রকাশ করে আসছে রেড ক্রিসেন্ট। রোববার সংস্থাটি জানায়, প্রায় এক মাসের যুদ্ধে ইরানের ৮১ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।




