ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে ওয়ার্কশপগুলোতে চলছে শেষ মুহুর্তের ব্যস্ততা। সাভারের আমিনবাজার, হেমায়েতপুর, নবীনগর, নয়ারহাট ও শ্রীপুর এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক ওয়ার্কশপে চলছে কাজ। কেউ রঙ করছেন, কেউ ভাঙা অংশ জোড়া লাগাচ্ছেন ঝালাইয়ের মাধ্যমে। অচল গাড়িগুলোতে রঙের প্রলেপ দিয়ে সড়কে নামানোর এই কর্মযজ্ঞ চলছে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ।
সাধারণ যাত্রীরা বলছেন, ঈদ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনার বড় কারণ ফিটনেসবিহীন ও জোড়াতালি দেয়া যানবাহন। ফিটনেসবিহীন গাড়ি যেন সড়কে চলতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তাদের।
আরও পড়ুন:
বাস মালিকরা বলছেন, ফিটনেসবিহীন নয় বরং ছোটখাটো দুর্ঘটনায় পড়ে কাঠামো নষ্ট হওয়া গাড়িগুলোই মেরামত করা হচ্ছে। যদিও পুলিশ বলছে, ফিটনেসবিহীন কোনো গাড়ি চলতে দেয়া হবে না।
সাভার পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর খোরশেদ আলম বলেন, ‘এসব গাড়ি রাস্তায় নামার কারণে রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটছে। ফিটনেসবিহীন কোনো গাড়ি যাতে রাস্তায় নামতে না পারে প্রশাসনের সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত।’
সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহজালাল বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে অভিযান অব্যাহত আছে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি, যেগুলোর রেজিস্ট্রেশন শেষ হয়ে গিয়েছে এসব গাড়ও চলাচলে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আছে। আমাদের তৎপরতায় এই গাড়িগুলো চলাচলে কোনো সুযোগ দেয়া হবে না।’
শিল্পাঞ্চল সাভার–আশুলিয়ায় ঈদের ছুটি শুরু হলেই বাড়ি ফেরা মানুষের চাপ বাড়ে মহাসড়কে। এই সুযোগে কিছু অসাধু পরিবহন মালিক ফিটনেসবিহীন ও জোড়াতালি দেওয়া গাড়ি নামিয়ে দেন সড়কে। ফলে বাড়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।




