তিনি বলেন, ‘আমরা স্পিকারকে অনুরোধ করেছিলাম তাকে যাতে ভাষণ দিতে দেয়া না হয়। তারা আমাদের কথা রাখেননি। আমরা সংক্ষুব্ধ হয়ে সংসদ থেকে বেরিয়ে এসেছি। আগামীতে এই সংসদে কোনো অন্যায়কে আমরা বরদশাত করবো না। আমরা জনগণের স্বার্থের পক্ষে লড়াই করে যাবো।’
ডা. শফিকুর বলেন, ‘আমরা দেশবাসীর অধিকারের পক্ষে কাজ করব। আমরা রাষ্ট্রপতির বৈধতা বহু আগে অস্বীকার করেছি। প্রত্যাখ্যান করেছি।’
আরও পড়ুন:
এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন। এসময় বিরোধীদল জামায়াতের সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। তাদের হাতে প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডে ‘জুলাই নিয়ে গাদ্দারি চলবে না’, ‘জুলাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্যতা বন্ধ কর’সহ বিভিন্ন স্লোগান লেখা রয়েছে। স্পিকার এসময় সবাইকে শান্ত থাকতে আহ্বান জানান।
এসময় তারা ‘স্বৈরাচার ও গণতন্ত্র একসঙ্গে চলে না’, ‘স্বৈরাচারের দোসরেরা, হুঁশিয়ার-সাবধান’ প্রভৃতি স্লোগান দিতে দিতে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
জামায়াত ও এনসিপির সদস্যদের অক আউটের পর রাষ্ট্রপতি ভাষণ শুরু করলে বিএনপির সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।





