তেহরানের কারাগ ও ইসফাহানের গভর্নরের অফিস লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে হামলা। হামলা হয়েছে তাবরিজেও। তবে গেলরাতের এ হামলার কেন্দ্র ছিলো তেহরান।
পূর্ব-পশ্চিম ও দক্ষিণ প্রান্তে রাতভর চলেছে বোমাবর্ষণ। জবাবে হাইফাসহ ইসরাইলের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইনের মানামায় ইরানি ড্রোনের আঘাতে প্রাণ গেছে এক নারীর। হামলার কবলে পড়েছে ইরাকের কুর্দিস্তানে আমিরাতের কনস্যুলেট।
আরও পড়ুন:
এদিকে, কোনো পক্ষই যখন একচুলও ছাড় দিচ্ছে না তখন ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, খুব শিগগিরই ইরানের সঙ্গে চলমান এই সংঘাতের অবসান হবে।
তেহরানের অভিযোগ এক প্রকার স্বীকার করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলছেন, ইরানের তেল সম্পদ দখল নিয়েও ভাবছে ওয়াশিংটন। এমন প্রেক্ষাপটে সংঘাত বন্ধে এগিয়ে এসেছে চীন, রাশিয়া ও ফ্রান্স। যোগাযোগ শুরু হয়েছে তেহরানের সঙ্গে।





