মাত্র কয়েক বছর আগেও রাজনীতির মাঠে যিনি ছিলেন একেবারে অচেনা, সেই বালেন্দ্র শাহকেই জেন-জিদের অভ্যুত্থান পরবর্তী নেপাল পুনর্গঠনে বেছে নিলেন দেশটির ভোটাররা।
রাজনীতিতে নামার আগে র্যাপের মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মন কাড়েন বালেন্দ্র। গতানুগতিক র্যাপ নয়, গানের তালে তালে সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি সরকারের দুর্নীতি ও সামাজিক সমস্যাগুলো তুলে ধরেন বালেন্দ্র।
সাহসী কণ্ঠস্বরের কারণে ২০২২ সালের কাঠমাণ্ডুর মেয়র নির্বাচনে সিপিএন-ইউএমএল ও নেপালি কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়ে হিমালয় কন্যা নেপালের রাজধানীর মেয়র হন বালেন্দ্র।
আরও পড়ুন:
প্রায় চার বছরে দায়িত্ব পালনকালে, ক্যারিশমা দেখান এই তরুণ র্যাপার। তার সময়ে সরকারি জমিতে অবৈধ দখলদারিত্ব হ্রাস পেয়েছে। ফিরেছে সড়কে শৃঙ্খলা। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও সফল ছিলেন শাহ প্রশাসন।
তবে বালেন্দ্রর জনপ্রিয়তার পালে হাওয়া লাগায় ২০২৫ এর জেনজি অভ্যুত্থান। তরুণদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে থাকেন তিনি। এরপর জানুয়ারিতে ভোটে অংশ নিতে মেয়র পদ ছেড়ে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টিতে যোগ দেন বালেন্দ্র।
১৯৯০ সালে কাঠমান্ডুতে জন্মগ্রহণ করা বালেন্দ্র শাহ নেপালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করেন। পরে ভারতের একটি টেকনোলজ্যিকাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পোস্ট- গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন বালেন্দ্র শাহ।





