ওই তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন, উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক ও অফিস সহকারী জান্নাতি। এদের মধ্যে নাসির উদ্দিন ও ওমর ফারুককে আড়াইহাজার উপজেলায় এবং জান্নাতিকে বন্দর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, ‘বুধবার রাতেই তিনজনকে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গতকাল বুধবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমি অফিসে হাজির হন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এসময় অফিসে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দেখতে পাননি। অফিস ছিল তালাবদ্ধ। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষার পর একজন এসে তালা খুলে দিলে ভেতরে প্রবেশ করেন প্রতিমন্ত্রী।
এ ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, যারা রাষ্ট্রীয় অর্পিত দায়িত্বে অবহেলা করবেন এবং জনগণের সেবায় বিঘ্ন ঘটাবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতা সরকারের জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।





