বক্তব্যের শুরুতেই ইরানের সর্বোচচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে শোক জানান তিনি। বলেন, ‘আমাদের সর্বোচ্চ নেতা এই যুদ্ধ চলাকালেও কোথাও আশ্রয় নেননি, তিনি জনগণের সঙ্গেই ছিলেন। বিশিষ্ট সাহাবি খালেদ (রা.) মৃত্যুর আগে বলে গেছেন জনগণের মধ্য থেকে বিদায় নেয়াই অনেক বেশি গৌরবের। আমরা অত্যন্ত গর্ববোধ করি যে আমাদের মহান নেতা পবিত্র রমজান মাসে নিকৃষ্টদের হাতে শাহাদাত বরণ করেছেন।’
এসময় ইরানের প্রতি সমর্থন এবং সহোযোগিতার জন্য বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইরানি রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘ইরানের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ সরকার বিবৃতির মাধ্যমে সহমর্মিতা জানিয়েছে।’ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, বিশেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির কথা উল্লেখ করেন তিনি। এসব বৈঠকের ছবি তিনি ইরানে পাঠিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ইরানে বর্তমানে কতজন বাংলাদেশি অবস্থান করছেন, এর সঠিক পরিসংখ্যান তার কাছে নেই। তবে তেহরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। কোনো ধরনের সহযোগিতা চাওয়া হলে বা প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হলে ইরান সরকার সর্বোচ্চ ও যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’
তিনি বলেন, ‘ইরান নাগরিকদের ইরানি বা বিদেশি হিসেবে আলাদা করে দেখে না। দেশে অবস্থানরত যেকোনো ব্যক্তি সমস্যায় পড়লে সমানভাবে তার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে সরকার।’





