নগরীর সাহেববাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভোজ্য তেলের দামে আবারও ঊর্ধ্বগতি। সরিষার তেল লিটারপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় বেশি। সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়। রমজানে চাহিদাসম্পন্ন লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ২০০ টাকায়।
মুড়ির বাজারেও বড় ধরনের ব্যবধান দেখা গেছে। প্রতি কেজি মুড়ি কোথাও ৬০ টাকা, আবার কোথাও ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। মুগ ডালের দাম বেড়ে হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। বেসন বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকায়।
আরও পড়ুন:
তবে কিছু পণ্যে স্বস্তির আভাস রয়েছে। খেসারীর ডাল কেজিতে ১০ টাকা কমে এখন ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ছিল ১০০ টাকা। ছোলার দামও কিছুটা কমে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় নেমেছে। মটর ডালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে ১২০ টাকায়। চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায়। বাজারে মসলার দামেও বড় কোনো পরিবর্তন নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বিক্রেতারা বলছেন, যেসব পণ্যের আমদানি বেশি, সেগুলোর দাম কিছুটা কমেছে। আর যেসব পণ্যের সরবরাহ কম, সেগুলোর দাম বেড়েছে। ঈদের আগে সরবরাহ আরও বাড়বে এবং দাম স্বাভাবিক থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তারা।





