এর আগে, জুলাই অভ্যুত্থানের ‘স্পিরিট’ সমুন্নত রাখতে সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ দেয়া থেকে বিরত রাখতে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে চিঠি দেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।
আরও পড়ুন:
ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে একজন সংসদ সদস্যকে স্পিকার হিসেবে নির্বাচন করে তার মাধ্যমে সংসদ অধিবেশন আহ্বান ও ভাষণ দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়। বিকল্পভাবে, প্রধানমন্ত্রীর সুবিধামতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বানও জানানো হয় চিঠিতে।
সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রিট হতেই পারে, চিঠি দিতে পারে; আমরা তো কথা বলার স্বাধীনতার জন্যই জীবন দিয়েছি। কিন্তু আমাদের সংবিধান কী বলে? আমাদের প্রথা কী বলে? আমাদের ট্রেডিশন কী বলে? প্রথম অধিবেশনে সংসদে বছরের প্রথমে এবং নতুন সংসদীয় বিশ্লেষণের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। সেটা এখনো পর্যন্ত সংবিধান বহাল আছে। সুতরাং সে হিসেবেই হবে। কেউ যদি দাবি করে এবং সংবিধান সংস্কার করে যে রাষ্ট্রপতি আর ভাষণ দেবেন না, তাহলে সেটা তখন দেখা যাবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জুলাই সনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ডেপুটি স্পিকারের নাম ঠিক করতে বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে বলা হয়েছে। সংবিধানে সংশোধনী এনে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা যেতে পারে। তবে তার আগে সংবিধানে নেই, এমন কোনো কিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সংবিধানে নেই, এমন কিছু আমরা সংসদে উত্থাপন করতে পারি না।’





