রাজশাহীতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মাছের দাম

মাছের বাজার
মাছের বাজার | ছবি: সংগৃহীত
0

রাজশাহীতে বন্যা ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে বেড়েছে পরিবহন খরচ। এতে বাজারে মাছের সরবরাহ কমেছে। আর সরবরাহ কমার সুযোগে বেড়েছে সব ধরনের মাছের দাম।

আজ (বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরীর হড়গ্রাম পাইকারি মাছের বাজারে দেখা যায়, আকার ও জাতভেদে কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে মাছ বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৭০ থেকে ২১০ টাকা এবং পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

এছাড়া চাষের কৈ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, চাষের শিং ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং বোয়াল মাছ ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দামও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত।

তবে দেশি মাছের দাম আরও বেশি। দেশি কৈ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং অন্যান্য দেশি মাছ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, বন্যার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাছের সরবরাহ কমে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে মাছ পরিবহনে খরচ বেড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি ও খুচরাদুই পর্যায়েই এর প্রভাব পড়ছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি মাছের দামও বাড়ায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এফএস