Recent event

পাকিস্তানে একবছরের কম সময়ে বন্দুকযুদ্ধে প্রাণহানি ৯০০ ছাড়িয়েছে

পাকিস্তানে বন্দুকযুদ্ধ
পাকিস্তানে বন্দুকযুদ্ধ | ছবি: সংগৃহীত
0

পাকিস্তানের পাঞ্জাবে পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী সিসিডি গঠনের একবছর না পেরোতেই বন্দুকযুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। দেশটির মানবাধিকার সংগঠন এইচআরসিপি জানায়, সন্দেহভাজনদের আটক বা আদালতে সোপর্দ না করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজাচ্ছে সিসিডি। তবে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বাহিনীটি গঠনের পর উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে অপরাধের সংখ্যা।

গত বছরের এপ্রিলে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের দুর্ধর্ষ অপরাধী ও আন্তজেলা গ্যাংয়ের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে গঠন করা হয় বিশেষায়িত বাহিনী সিসিডি। কিন্তু বাহিনীটি গঠনের এক বছর না পেরোতেই প্রদেশটিতে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে বন্দুকযুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা।

সম্প্রতি হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তানের বরাতে এটি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আল- জাজিরা। মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, গত বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর থেকে ৬৭০ টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এতে প্রাণহানির সংখ্যা নয় শতাধিক।

আরও পড়ুন:

এইচআরসিপি জানায়, সুকৌশলে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাটি মঞ্চস্থ করে সিসিডি। এক্ষেত্রে প্রতিটি ঘটনার প্যাটার্নও একই থাকে। ঘটনাগুলোর পর বেশিরভাগ নথিতে বিশেষায়িত বাহিনীটি দাবি করে, চেকপোস্টে টহল চালানোর সময় মটরসাইকেলে থাকা সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর প্রথমে গুলি ছোঁড়ে। এরপর পালটা গুলি চালায় সিসিডি।

কিন্তু ভিন্ন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের পরিবারের। তাদের দাবি, পুলিশি চাপে ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের মরদেহ দাফনে বাধ্য করা হয়। এদিকে, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফের পাল্টা দাবি, সিসিডির অভিযানে প্রদেশটিতে অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

ইএ