Recent event

রমজানের শুরুতেই নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি, সিন্ডিকেটে নিয়ন্ত্রণ চায় ক্রেতারা

রোজার শুরুতেই  নিত্যপণ্যেরে মূল্যবৃদ্ধি
রোজার শুরুতেই নিত্যপণ্যেরে মূল্যবৃদ্ধি | ছবি: এখন টিভি
0

শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। বাজারে নিত্যপণ্যের পাশাপাশি ইফতারে প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বেড়েছে। সরবারাহ ও পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরেও রোজার শুরুতে দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারছেন না বিক্রেতারা। এদিকে, নতুন সরকারের কাছে বাজার সিন্ডিকেটের লাগাম টানার অনুরোধ ক্রেতাদের।

বছরঘুরে আবারো দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান মাস। নির্বাচনি আমেজ শেষে এখন চলছে রোজার প্রস্তুতি। আসন্ন রমজান ঘিরে ফের অস্থির হয়ে উঠেছে নিত্যপণ্যের বাজার। এক কেজি চালের দামে কিনতে হচ্ছে এক হালি লেবু। বাজারে এখন প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। কাঁচামরিচের কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। এ ছাড়া শসা ও বেগুনের দামও চড়া। বাজারের এমন অস্থিরতায় হতাশ সাধারণ ক্রেতারা।

ক্রেতারা জানান, এক দিনের ব্যবধানে সব কিছুর দাম বেড়েছে কয়েকগুন।

এদিকে রোজা উপলক্ষে বিক্রি বেড়েছে ছোলা, খেজুর, চিনি ও ডালের। রোজার অন্যতম প্রধান পণ্য খেজুর মান ভেদে কেজিপ্রতি ৪০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

ক্রেতারা জানান, সাধারণ মানুষের পণ্য ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। সারা পৃথিবীতে যেখানে রমজান আসলে খাবারে দাম কমে সেখানে বাংলাদেশে উল্টো চিত্র।

ছোলা ও ডালের দাম তেমন না বাড়লেও সপ্তাহের ব্যবধানে চিনির দাম বেড়েছে কেজিতে পাঁচ টাকা। বাজারে প্রতিকেজি চিনি এখন ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বেড়েছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি দরে। একইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাছের দরও।

প্রতিবছরের মতো এবারও ক্রেতাদের অভিযোগ, কোনো সংকট না থাকলেও রোজায় প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে, অনেক পণ্যের বাড়তি দামের যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারছেন না বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা জানান, সব কিছুই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে। তারপরেও কিছু কিছু পণ্যের দাম একটু বাড়তি।

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে নতুন সরকারের কাছে আশ্বাস নয়, বাজার নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি সাধারণ মানুষের।

জেআর