রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনে আজ (মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রখ্যাত অতিথিরা অংশ নিচ্ছেন, যা বাংলাদেশের আঞ্চলিক গুরুত্ব এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা তুলে ধরে।
মালদ্বীপ: মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু আজ সকালে ঢাকায় এসে পৌঁছান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন।
মালদ্বীপ হাইকমিশন জানায়, তার উপস্থিতি ঢাকা ও মালে’র ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে প্রতিফলিত করে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আগ্রহকে তুলে ধরে।
ভুটান: ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ভুটান দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, তার সফর বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের অব্যাহত সমর্থন এবং দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বের প্রতিফলন। সফরটি দুই দেশের দৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে পুনর্ব্যক্ত করছে।
ভারত: ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বীরলা ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এতে আরও বলা হয়, লোকসভা স্পিকারের অংশগ্রহণ দু’দেশের জনগণের মধ্যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে তুলে ধরে এবং যৌথ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
ভারত এরইমধ্যে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছে।
পাকিস্তান: পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক মন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তিনি ঢাকায় এসে পৌঁছালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার তাকে স্বাগত জানান।
পাকিস্তান হাইকমিশন জানায়, আহসান ইকবাল চৌধুরীর সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও জোরালো করার মনোভাবকে প্রতিফলিত করে।
নেপাল: নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। এটি দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের প্রতিফলন।
শ্রীলঙ্কা: শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী ড. নলিন্দা জয়তিসা কলম্বোর প্রতিনিধিত্ব করবেন। শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্পষ্ট উদাহরণ।
দক্ষিণ এশিয়ার এসব শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি ও প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রতি আঞ্চলিক আগ্রহকে স্পষ্ট করছে। এটি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতিও নির্দেশ করে।





