নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং জোটের শরিকদের অনেকেও জয়লাভ করেছেন।’
তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য দিন। এদেশের মানুষ নতুন করে গণতন্ত্রের পরীক্ষিত শক্তি বিএনপির ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করতে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা গত রাত থেকে ফলাফল শুনছি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা না হলেও, আমরা যতটুকু জেনেছি তাতে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়েছে এবং জোটের শরিকরাও অনেকে জয়লাভ করেছে। এর মাধ্যমে জনগণ আগামী পাঁচ বছর বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের দায়িত্ব বিএনপি ও দলের নেতা তারেক রহমানের ওপর অর্পণ করেছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর অসীম মেহেরবানিতে এর আগের অনেক নির্বাচনের চেয়ে এবার প্রাণহানি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি তেমন কিছু হয়নি। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে দীর্ঘদিন ভোট না দেয়ার যে সংস্কৃতি জনগণের মধ্যে গড়ে উঠেছিল, সেটা পুরোপুরি আমরা ফিরিয়ে আনতে পারিনি। তবে আমরা আশাবাদী, আগামী দিনগুলোতে জনগণকে ভোটের প্রতি আরও আগ্রহী করতে পারবো।’
চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল স্থগিত থাকার বিষয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আদালত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিলে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করবে। তবে এই দুই-তিনটি আসন ছাড়াও সরকার গঠনে কোনো অসুবিধায় পড়বে না বিএনপি।’
গণভোট প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ জয়যুক্ত হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এটাই হওয়ার কথা, কারণ আমরাও গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ ভোট দেয়ার জন্য জনগণকে আহ্বান জানিয়েছিলাম।’’
এসময় গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে জনগণ আমাদের কাজ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জানতে পেরেছে এবং সেই অনুযায়ী আমাদের ভোট দিয়েছে। সেজন্য আপনাদের সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’





