আমানউল্লাহ হাওলাদার হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ফয়সাল বিন দিদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘একটি প্রতীকের দেড় শতাধিক কর্মী-সমর্থক মিলে ‘‘ধানের শীষ’’ স্লোগান দিয়ে আমাদের কেন্দ্র দখল করে এবং কেন্দ্রের গেইট ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে। তারা ‘‘প্রিজাইডিং অফিসার কই, তাকে খুন করতে হবে’’ স্লোগান দিতে থাকলে আমি ভয়ে একটি কক্ষের ভেতরে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে তারা নির্বাচনি বুথগুলোতে প্রবেশ করে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে থাকা ব্যালটগুলো নিয়ে জোরপূর্বক সিল মেরে তা ব্যালট বক্সে রাখে। আমি তাৎক্ষণিক বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে ভোটগ্রহণ বন্ধ রেখেছি।’
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানামাত্র সেখানে আমরা কোস্টগার্ড ও নৌ বাহিনীর সদস্যদের পাঠিয়েছি। সদস্যরা বর্তমানে সেখানে আছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।





