আরও পড়ুন:
টার্মিনালগুলোতে মানুষের ঢল (Crowds at Bus and Train Terminals)
নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি পাবলিক ছুটি (Public Holiday) ঘোষণা করায় মঙ্গলবার থেকেই মানুষ সপরিবারে গন্তব্যে রওনা দিয়েছে। কমলাপুর স্টেশনে ট্রেনের ছাদে ও দাঁড়িয়েও অনেককে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। বাসের আগাম টিকিট (Bus Advance Ticket) প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তি সত্ত্বেও মানুষের চোখেমুখে ছিল ভোটাধিকার প্রয়োগের ব্যাপক উৎসাহ।
তরুণ ও নতুন ভোটারদের উচ্ছ্বাস (Excitement of New Voters)
এবারের নির্বাচনে বড় একটি অংশ হলো তরুণ ভোটার (Gen Z Voters)। ভোট দিতে বাড়ির পথে থাকা এক শিক্ষার্থী জানান, “আমি এবারই প্রথম ভোটার হয়েছি। নিজের ভোটটি কেন্দ্রে গিয়ে দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছি।” অন্যকে আরেক দম্পতি জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ (Festive Atmosphere) দেখে তারা গ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
পরিবহন সংকটে হিমশিম কর্তৃপক্ষ (Transport Crisis and Management)
রেলওয়ে ও বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। ভিড় সামাল দিতে অতিরিক্ত কোচ (Special Train Coaches) সংযোজন করা হলেও আসন সংকট কাটছে না। তবে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি (Law and Order Situation) নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভোটের পরিসংখ্যান (Election at a Glance)
সারা দেশে ২৯৯টি আসনে ৫টি রাজনৈতিক জোট ও স্বতন্ত্রসহ অসংখ্য প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে (Polling Centers) তাদের রায় দেবেন। এই বিশাল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতেই মূলত দেশজুড়ে এই গণপরিবহন ব্যস্ততা।
আরও পড়ুন:





