বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খেলাগুলোর অন্যতম আর্চারি। দেশকে পদক এনে দেয়ার মাধ্যমে এর আগে অনেকবারই বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়েছেন আর্চাররা। দিন দিন এ খেলা নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ।
শুক্রবার রাজধানীতে ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া আয়োজিত ইফতার মাহফিলে আর্চারি নিয়ে প্রত্যাশা এবং লক্ষ্যের কথা জানান সংস্থাটির সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যাশা তো শুধু আমাদের থাকলে হবে না, ওনারও কিছু প্রত্যাশা আছে, আপনার ভালো করতে হবে। উনি ওনার প্রত্যাশাটা আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, আমাদের আর্চারি থেকে কী অর্জন করতে হবে। আমি বলেছি যে, আমাদের সামনে এখন অলিম্পিক ছাড়া আর তেমন পাওয়ার মতো কিছু নেই, কারণ আমরা সবগুলোই পেয়েছি।’
অলিম্পিকের মতো বড় প্রতিযোগিতায় পদক পেতে হলে কী করতে হবে তাও জানান ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার সভাপতি।
আরও পড়ুন:
কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, ‘এটা খুব টেকনিক্যাল ইভেন্ট। আর্চারিটা যত খেলবেন ততই র্যাংকিং বাড়বে। বত্রিশে যদি আমরা পদক পেতে চাই, আমাদের এখন থেকেই শুরু করতে হবে। আমি আটাশ বা বত্রিশ বুঝি না, আমাদের প্রশিক্ষণ দশ ঘণ্টা চালিয়ে যেতে হবে এবং সেটা আমাদের ফেডারেশনকেই আয়োজন করতে হবে।’
সম্প্রতি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের সকল ক্রীড়াবিদকে বেতনের আওতায় আনা হবে। এ প্রসঙ্গে আর্চারি ফেডারেশনের ভাবনা জানতে চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের কাছে।
রাজিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সরকার যদি কাউকে কোনো বেতন বা স্যালারি দেয়, বা যেটাই বলি আমরা, তখন অন্য জায়গা থেকে এটা আর চলে না। হয়তো ইনসেন্টিভ থাকতে পারে। আমাদের কথা হলো নিয়ম মেনে যার জন্য যতটুকু করা যায়, আমরা করবো।’
কম্পাউন্ড ওমেন ইভেন্টে বিগত ৫ বছরে র্যাংকিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছর দেশের আয়োজিত হবে আর্চারির বেশ কিছু বড় টুর্নামেন্ট।




