গত ২ ফেব্রুয়ারি নড়িয়ার পোড়াগাছা এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে উদ্ধার করা হয় ৯৫টি ককটেল। এর আগের দিন একই উপজেলার জপসা ও ভোজেশ্বর এলাকা থেকে উদ্ধার হয় আরও ২২টি ককটেল।
এখানেই শেষ নয়, জাজিরার মুলাই বেপারী কান্দি গ্রামে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যায় একটি ঘর। এ ঘটনায় নিহত হয় তিনজন।
এভাবে একের পর এক ককটেল উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনায় পুরো জেলাজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করেই এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। বিস্ফোরক দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে আসন্ন নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা অনেকের।
স্থানীয়রা জানান, ‘হামলা-মামলা করে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। এ আতঙ্কের কারণে ভোটকেন্দ্রে যাবে না অনেক ভোটার। এতে অনেকের ভোট নষ্ট হবার শঙ্কা দেখছেন ভোটাররা।’
আরও পড়ুন:
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে বিস্ফোরক উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী।
শরীয়তপুর পুলিশ সুপার রওনক জাহান বলেন, ‘আমরা যখন একটি এলাকায় অভিযান চালিয়েছি তারই সংলগ্ন এলাকায় লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এ এলাকাগুলোকে নিরাপদ করার চেষ্টা করছি। আমরা যখন আমাদের মাস্টার প্ল্যান নিয়েছি সে প্ল্যানে আমরা এসব এলাকাকেও যুক্ত করেছি। এরইমধ্যে অনেকে মনে করছে তারা ভোট দিতে পারবে কি না। এ ইস্যুগুলো কেন্দ্র করে সরকার খুব গুরুত্ব দিচ্ছে।’
গত এক মাসে শরীয়তপুরে উদ্ধার করা হয়েছে দুই শতাধিক ককটেল। এ ঘটনায় প্রায় সাড়ে তিনশো মামলা হয়েছে। আটক আট শতাধিক।





