নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) এলাকায় প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের বৈঠকের খবর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের কার্যক্রম অন্য আসনগুলোতেও হবে না—এ বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এরইমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ ব্যাপারে জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত।’
এসময় নির্বাচনকে ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করা বা ফলাফলকে অন্যদিকে নেয়ার মতো কোনো ধরনের চক্রান্ত যাতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
এর আগে গেল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০২ আসনের ভোলাহাট উপজেলার বীরেশ্বরপুর গ্রামে মো. এরফান আলী নামের একজন সরকারি কর্মচারী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সম্ভাব্য সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের নিয়ে একটি বৈঠকের আয়োজন করেন।
বৈঠকটি শিক্ষক সমিতির সভা হিসেবে আয়োজন করা হলেও সেখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলামকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। যদিও তিনি ওই সভায় উপস্থিত হননি।
পরে জানতে পেরে এরফান আলী ঢাকা উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মচারীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।





