আসন্ন নির্বাচন বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা সে বিষয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড দৃশ্যমান নয়।’
টিআইবি বলেছে, সংস্কারের ক্ষেত্রে সকল রাজনৈতিক দলগুলো ইতিবাচক ভূমিকা রাখলেও একটি মৌলিক ক্ষেত্রে দলগুলোর অনড় অবস্থান ভিন্ন থাকায় জুলাই সনদটি দুর্বল হয়েছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কার ভিত্তি শুরুতেই দুর্বল হয়ে পড়েছে।
সংস্থাটি জানায়, ১১টি সংস্কার কমিশনের ক্ষেত্রে যেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া উচিত ছিলো সেগুলো হয়নি। বিচার ও প্রতিশোধকে একাকার করে ফেলা হয়েছে। কাজেই বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে। কতটুকু বিচার হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন থাকবে। আগে এক দল থাকলেও এখন ত্রিমুখী দলের শক্তি পরিলক্ষিত হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সংস্থাটি আরও জানায়, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার কথা বলা হলেও সরকারের তা না থাকা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। যা পরবর্তী সরকারের কাছে নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে থেকে যাবে। বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রম দুর্বল। সংস্কার প্রক্রিয়া লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।
বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা ইস্যুতে এ সরকার চরম হতাশাজনক। রাষ্ট্রের পাশাপাশি অতিক্ষমতায়িত অরাষ্ট্রীয় শক্তির পরিলক্ষিত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘অর্থ, পেশি ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির হাতে নারীর অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব অনেকটাই জিম্মি। এই জায়গায় রাজনীতিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে এই সরকার ব্যর্থ।’





