এ সময় সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে অলিম্পিক কমপ্লেক্সের স্বপ্ন দেখছি। অনেক স্থানে আমরা জায়গা দেখিছি এবং যে কোনো কারণেই তা বাস্তবায়ন হয়নি। তারপর আর্মি ট্রেনিং স্কুলের পাশে এটি করার চিন্তা করি এতে স্পোর্টেসরও ভালো হবে এবং তদারকিও করা যাবে। এবং জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াতে আমরা বড় এটি অবদান রাখতে পারবো।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বহু বছর ধরে অলিম্পিক কমপ্লেক্সের স্বপ্ন দেখছি। অনেক স্থানে আমরা জায়গা দেখেছি। তারপর আর্মি ট্রেনিং স্কুলের পাশে এটি করার চিন্তা করি এতে স্পোর্টসেরও ভালো হবে এবং তদারকিও করা যাবে। এবং জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াতে আমরা বড় এটি অবদান রাখতে পারবো।’
সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের যত প্রতিযোগিতা আছে আমরা সব এখানে করবো, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা করবো। সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের জয়েন্ট এগ্রিমেন্ট হয়ে যাবে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ইভেন্টগুলো অগ্রাধিকার পাবে এখানে।’
তিনি বলেন, ‘অন্য সময়ে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও দেশিয় কোনো ক্রীড়াবিদ প্র্যাকটিস করতে চাইলে তা পারবে। স্বপ্ন অনেক, কিন্তু প্রচুর অর্থ প্রয়োজন। যেভাবেই হোক টাকা যোগাড় করতে হবে। আমরা সূচনা করেছি। যতো তাড়াতাড়ি অর্থ পাওয়া যাবে ততো দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘পুরো প্রকল্পের জন্য একটি আর্কিটেক্ট ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে সেনাবাহিনী এবং বাইরের আর্কিটেক্টও আসছেন।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব জোবায়দুর রহমান রানা, প্রকল্প পরিচালক কর্নেল কুতুব উদ্দিন খানসহ অন্যান্যরা।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের শহিদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে বিভাগীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা করেন সেনা প্রধান।
মতবিনিময়কালে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।





