ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরকার মিথ্যাচার করেছে: পিটিআই

সুপ্রিম কোর্টের বাইরে পিটিআইয়ের নেতা কর্মীরা
সুপ্রিম কোর্টের বাইরে পিটিআইয়ের নেতা কর্মীরা | ছবি: সংগৃহীত
0

পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখে অস্ত্রোপচারে তথ্য সরকার লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন পিটিআই মহাসচিব। আরও দাবি করেছেন, ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে জনসম্মুখে মিথ্যাচার করেছে শেহবাজ শরীফের সরকার। সুপ্রিম কোর্টের বাইরে পিটিআই নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের জেরে ইমরানের অস্ত্রোপচার নিয়ে মুখ খুলেছেন পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্সের চিকিৎসকও।

পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে না দেয়া, কারাগারে মৃত্যুর গুঞ্জন কিংবা শারীরিক অবস্থার তথ্য নিয়ে রাজনীতির পর এবার পাকিস্তানের শেহবাজ শরীফের সরকারের বিরুদ্ধে কারাবন্দী নেতা ইমরানের ডান চোখে অস্ত্রোপচারে খবর গোপন রাখার অভিযোগ তুলেছে পিটিআই।

শুক্রবার এর জেরে সুপ্রিম কোর্টের বাইরে বিক্ষোভ করেছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতা-কর্মীরা। এসময় দলটির মহাসচিব সালমান আকরাম রাজা অভিযোগ করেন, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে গেল চার-পাঁচ দিন ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে সরকার। এমনকি তার পরিবারকে জানানো হয়নি কেন হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে ইমরানকে।

এরআগে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার নিশ্চিত করেছিলেন, ইমরান খানকে সাময়িকভাবে পিমস হাসপাতালে নেয়া হয়েছিল এবং সেখানে চক্ষুবিশেষজ্ঞরা তাকে পরীক্ষা করেছেন। কিন্তু অস্ত্রোপচারের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি।

আরও পড়ুন:

তবে শেষ পর্যন্ত পিটিআই নেতাদের বিক্ষোভের জেরে ইমরানের অস্ত্রোপচার নিয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তান ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স বা পিমস হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার রানা ইমরান সিকান্দার। ইসলামাবাদের এই হাসপাতালেই ইমরানের ডান চোখে অস্ত্রোপচার হয়।

পিমস পরিচালকের সঙ্গে কথা বলে জিও নিউজ জানিয়েছে, ইমরানের ডান চোখের রক্তনালিতে চাপ বেড়ে যাওয়ার কারণে সাময়িকভাবে তার দৃষ্টিশক্তি প্রভাবিত হয়েছিল। ২০ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের পর তা স্বাভাবিক হয়েছে এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়ার আগে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের একটি দল তার শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করেন।

এসব খবর সামনে আসার পরেও রাজপথে থাকার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে পিটিআই। ইমরান সমর্থকরা অভিযোগ করেন, কারাগারে নূন্যতম মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। এমনটা চলতে থাকলে দেশের সাধারণ মানুষের কোনো অধিকারই আর সুরক্ষিত থাকবে না বলে মনে করেন তারা।

এএম