ঝালকাঠিতে মোট ভোটার পাঁচ লাখ ৯৩ হাজার ৮২৬ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার দুই লাখ ৯১ হাজার ৯৪৫ জন। যা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক।
জেলার প্রতিটি ঘরে নারীরা আজও নীরব সংগ্রামের অংশীদার। কেউ চাকরিজীবী, কেউ শ্রমজীবী কেউবা আবার গৃহিণী। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারীদের প্রধান ভাবনায় রয়েছে-নিজেদের নিরাপত্তা, স্থায়ী কর্মসংস্থান, ন্যায্য মজুরি, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।
তরুণীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমাদের নতুন যে সরকার আসবে আগামীর নির্বাচনের মাধ্যমে, তাদের কাছে এটিই প্রত্যাশা যে, নারীরা যেন সব নিরাপত্তা পায়, সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন পায়।’
আরও পড়ুন:
অন্য একজন বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি হোক, দেশ ও জাতির উন্নয়ন হোক। নারীদের কর্মক্ষেত্রে শতভাগ সুযোগ থাক।’
এবারের নির্বাচনে শুধু আশ্বাস নয়, বাস্তব ও দৃশ্যমান বাস্তবায়ন দেখতে চান নারীরা।
নারীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা যেন ভালোভাবে থাকতে পারি, ভালোভাবে সবকিছু করতে পারি, এ প্রত্যাশাই আমাদের।’
অন্য একজন বলেন, ‘আমরা ভালো নারীবান্ধব সরকার চাই। যারা দেশের উন্নয়নের জন্য ভালো কাজ করবে।’
ঝালকাঠিতে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। তারা চান, নির্বাচনের পর জনপ্রতিনিধিরা যেন নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তব পদক্ষেপ নেন। সচেতন মহলের মতে, এই বিপুল নারী ভোটব্যাংক এবারের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।





