গতকাল (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিনিয়াপোলিসের মেয়রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, তিনি আগুন নিয়ে খেলছেন। স্থানীয় পুলিশকে ফেডারেল অভিবাসন আইন প্রয়োগ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি। অথচ ঠিক একদিন আগেই চলমান উত্তেজনা কমাতে চান বলে জানান ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউজের এমন মিশ্র সংকেতের মধ্যে, মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের অপারেশন মেট্রো সার্জ এখনো শিথিল হয়নি, উলটো বুধবার থেকে আরও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কোনোরকম বাগবিতণ্ডায় না জড়াতে অভিবাসন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে মিনেসোটা কর্তৃপক্ষ। মিনিয়াপোলিসে সম্প্রতি দুই মার্কিন নাগরিক হত্যার পর প্রথমবারের মতো এমন নির্দেশনা আসলো। তবে যেসব অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, তাদের ওপর আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধা নেই বলেও জানানো হয়, এ নতুন নির্দেশে।
আরও পড়ুন:
এদিকে মিনেসোটার বাইরেও বিক্ষোভ চলমান। দক্ষিণ টেক্সাসে এক মিনেসোটাবাসী ও তার ছেলেকে আটকের জেরে ফুসে উঠেছে সেখানকার বাসিন্দারা। আইসিই বিরোধী নানা প্ল্যাকার্ড নিয়ে অভিবাসন সেন্টারের সামনে জড়ো হয় বিক্ষোভকারীরা। ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিতাড়িত করার দাবিতে শ্লোগান দিয়ে আন্দোলন করেন তারা।
এদিকে বুধবার রাতে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে সম্প্রতি নিহত হওয়া নার্স অ্যালেক্স প্রেটির স্মরণে মোমমাতি জালিয়ে শোক প্রকাশ করেছে মিনিয়াপোলিসবাসী। অ্যালেক্স নিহত হওয়ায় স্থানটিতে অস্থায়ী স্মৃতিসৌধ বানিয়ে সেখানে জড়ো হন তারা। স্থানীয়দের সঙ্গে সেখানে যোগ দেন মিনেসোটা গভর্নরও। শহরটি থেকে ফেডারেল কর্মকর্তাদের সরিয়ে নাওয়ার দাবিও জানান তিনি।
অবশ্য নিজের অবস্থানে অনড় ট্রাম্প প্রশাসন। ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তারা মিনিয়াপলিসে অবস্থিত ইকুয়েডর কনস্যুলেটে অভিযান চালিয়েছে এমন ভিডিও প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। গেল ৭ জানুয়ারি রেনে গুড নামে এক কবিকে গুলি করে হত্যার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।





