লোকাল বাসে করে নারী ফুটবল লিগ খেলতে আসছেন জাতীয় দলে খেলা ফুটবলাররা। শুধু তাই না ম্যাচ খেলে নারী লিগে অংশ নেয়া ফুটবলাররা রিকশায় করে যাচ্ছেন যে যার মতো করে। দৃশ্যগুলো একদিনের নয়। পুরো নারী ফুটবল লিগেই এমন চিত্র দেখা গিয়েছে।
দীর্ঘ বিরতির পর ১১ দল নিয়ে শুরু হলেও দলগুলোর পেশাদারিত্ব নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তবে এর মধ্যে ব্যতিক্রমও রয়েছে। বেশ কিছু দল রয়েছে যারা ঠিক রেখেছে দলের মান। ব্র্যান্ডিং করা বাস থেকে শুরু করে ফুটবলারদের ভালো হোটেলে রাখার নজিরও আছে এবারের লিগে। বাফুফে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, আগামী আসর থেকে নারীদের নিয়ে আয়োজন করা হবে দুই স্তরের ফুটবল লিগ। প্রথম স্তরে থাকবে বাফুফের শর্ত পূরণ করা ক্লাব। অন্যদিকে ফুটবলারদের কম সুযোগ-সুবিধা দিতে পারা ক্লাবগুলো অংশ নেবে দ্বিতীয় স্তরের টুর্নামেন্টে।
আরও পড়ুন:
ফাহাদ করিম বলেন, ‘এ বছরে থেকে আমরা টু টিয়ারে লিগ করবো, সে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়া হয়েছে। এখানে থেকে টপ ছয়টা দল নিয়ে করা হবে টিয়ার ওয়ান যাদের একটা মিনিমাম একটা ফ্যাসিলিটি আছে তাদেরকে এটা করা হবে। অন্যদিকে টিয়ার টুতে বাকি সব ক্লাব থাকবে, বিশেষ করে অ্যাকাডেমি আছে অর্থাৎ যাদের এমন আয়োজন করার সক্ষমতা নেই তাদেরকে রাখা হবে।’
এদিকে সূচি পরিবর্তনের পরও ঠিক সময় শেষ করা যাচ্ছে না এবারের নারী ফুটবল লিগ। যে কারণে জটিলতায় পড়েছে বেশিরভাগ ক্লাব।
ফরাশগঞ্জ ফুটবল ক্লাবের কো-অর্ডিনেটর মানস বাবুরাম বলেন, ‘এখন যেহেতু সময়ে বেড়েছে আশা করছি নিশ্চয়ই আমাদের সবকিছু বেড়ে যাবে। আগে যে খরচ হতো তার বেড়ে দেড়গুণ দাঁড়াবে। এজন্যই আমরা অনেকটাই বিপদে আছি। ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে কিছু হবে না, কারণ প্রতিদিন আমাদের খরচ আছে ২০ হাজার টাকা।’
এতকিছুর পরও মেয়েদের খেলার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এবারের নারী লিগ নিয়ে আশা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এশিয়ান কাপের জন্য করা ক্যাম্পে নারী লিগ থেকে ২ থেকে ৩ জন ফুটবলারকে ডাকতে পারেন পিটার বাটলার এমনটাই জানিয়েছেন বাফুফে সহ-সভাপতি।





