উদ্ধার হওয়া ৮ বাংলাদেশি হলেন— মো. আব্দুল মালেক, হাবিবুর রহমান, রহিম বাদশা, এসকে মিনহাজুল হোসেন, মো. মেহরাজ হাসান, রিয়াজ ফকির, রিপন মিয়া এবং উলহাসায় মারমা।
দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে ভুক্তভোগীদের জন্য জরুরি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সহায়তা প্রদান করবে ব্র্যাক। পরবর্তীতে তাদের পুনর্বাসন এবং মানসিক সহায়তার বিষয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
এর আগে, ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মায়ানমার থেকে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছিলেন।
উল্লেখ্য, স্ক্যাম সেন্টার থেকে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার ও তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং থাইল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করেছে ব্র্যাক।





