এসময় খুলনার ৬ টি আসনের ৩৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে প্রতীক দেয়া হয়। দলীয় প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের প্রতীক নিজেরাই নির্ধারণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দের পরে কয়েকজন প্রার্থী তাদের নির্বাচনি ইশতেহারও ঘোষণা করেন। তবে খুলনা-৫ আসনে প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বের হওয়ার পরেই নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানো, সন্ত্রাস ও সব প্রার্থীদের এবং ভোটারদের নিরাপত্তা দিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কঠোর অবস্থানে যেতে হবে।’
এদিকে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশাসনকে জোরদার ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।
প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ। আগামীকাল সকাল থেকেই সকল প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনি এলাকায় শুরু করবেন আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা।





