বিপিএলের দ্বাদশ আসরে ঢাকা পর্বে প্রায় প্রতিদিনই দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য দর্শক উপস্থিতি। প্রিয় দলকে গলা ফাটিয়ে সমর্থন দিতে দূর-দূরান্ত থেকে স্টেডিয়ামে এলেও দর্শকরাই যেন প্রহসনের শিকার।
স্টেডিয়ামে খাবারের বাড়তি দামের অভিযোগ পুরনো। গত বিপিএলে স্টেডিয়ামে খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণে বিসিবি থেকে ছিল কড়া নির্দেশনা। তবে এবার যেন দেখা গেল পুরনো চিত্রই। বিসিবি থেকে নির্ধারিত মূল্যতালিকা দেয়া হলেও খাবারের অতিরিক্ত দামের অভিযোগ দর্শকদের মুখে মুখে।
দর্শকরা জানান, খাবারের মধ্যে পনির দাম সব থেকে বেশি রাখা হয়। বাচ্চাদের খাবার নিয়ে আসতে দেয়া হয় না অনেক সময়। বাচ্চার জন্য খাবার স্টেডিয়ামে তারা পান না। খাবার থাকলেও বাড়তি দামে কিনতে হয় তাদের।
আরও পড়ুন:
অবশ্য খাবারের অতিরিক্ত মূল্য নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন দোকানদাররা। ক্ষেত্রবিশেষে স্বাভাবিক মূল্যের চেয়েও কম দামে খাবার বিক্রির কথা জানিয়েছেন তারা।
দোকানদারদের একজন বলেন, ‘চিকেন ফ্রাই ১৫০ টাকা, আমরা বিক্রি করছি একশো টাকা করে। বাহিরের যে দাম এখানেও সেই দামে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি জিনিসগুলো অনেক ভালো এবং ফ্রেশ।
দোকানদাররা জানান, দাম কম রাখা হচ্ছে। দর্শক কম থাকায় চাহিদা কম। বিসিবি থেকে যে দাম বরা হয়েছে তার থেকে কম দাম রাখা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিসিবির ফ্যাসিলিটিজ কমিটির চেয়ারম্যান শানিয়ান তানিমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন বা মেসেজের উত্তর দেননি।
দর্শকরাই যেকোনো খেলার প্রাণ। কোনো দলের দ্বাদশ খেলোয়াড় ধরা হয় সমর্থকদেরই। ক্রিকেটের অন্যতম বড় স্টেক হোল্ডারদের সুবিধার কথা ভেবে খাবারের দাম আরও কমানো যায় কিনা, এ বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে বিসিবিকেই।




