বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, যাদের নামে খাস জমির বন্দোবস্ত দেয়া হয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অনুপস্থিত। অথচ প্রকৃত ভূমিহীনরা বছরের পর বছর ওই জমিতে বসবাস ও চাষাবাদ করে আসছেন। তাদের দাবি, বাস্তবে বসবাস ও জীবিকা নির্বাহ করা সত্ত্বেও তারা এখন উচ্ছেদের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
মানববন্ধনে অংশ নেয়া ফারুক হোসেন নামের এক ভূমিহীন বলেন, ‘আমরা ২১ বছর ধরে এ জমিতে ঘর তুলে বসবাস করছি, ফসল ফলাচ্ছি। কিন্তু যাদের নামে বন্দোবস্ত, তাদের কাউকেই এখানে কখনো দেখিনি। কাগজে মালিক আর মাঠে আমরা—এটা কেমন বিচার? আমরা সরকারের কাছে ন্যায় বিচার চাই।’
আরও পড়ুন:
কর্মসূচিতে অংশ নেয়া ভূমিহীনরা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অনুপস্থিত বন্দোবস্ত বাতিল করে প্রকৃত ভূমিহীনদের নামে জমি বন্দোবস্ত দেয়ার দাবি জানান।
সুবর্ণচর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইন বলেন, ‘সরকারি বিধি অনুযায়ী যাদের নামে জমির বন্দোবস্ত রয়েছে, তারাই ওই জমির বৈধ মালিক। বন্দোবস্তকৃত জমিতে অন্য কেউ বসবাস করলে তা অবৈধ দখল হিসেবে গণ্য হয়। এটিই সরকারি নিয়ম। তবে এ বিষয়ে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলো আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখব। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





