সভায় রাজশাহী বিভাগের আট জেলার প্রশাসনিক সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা, সেচ্ছাসেবী সংগঠন, শিক্ষক সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘ক্ষমতার অভাবনীয় আধিপত্য কমাতে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে হবে, তারই অংশ হচ্ছে উচ্চকক্ষ।’
এসময় গণভোটে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকবে। রাষ্ট্রের প্রতীক “টিক”। সেখানে “টিক” দিয়ে গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।’
আরও পড়ুন:
এসময় বিগত সময়ের প্রসঙ্গ টেনে আলী রীয়াজ বলেন, ‘গেল ৫৪ বছর রাষ্ট্র সংস্কার হয়নি। যখনি উদ্যোগ হয়েছে ব্যক্তি ও দলীয়ভাবে তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলেই দেশে এক নায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো। আবারও সেই পরিস্থিতি এড়াতে এবং গুম খুনের অবস্থা তৈরি না হয় সে কারণে এ গণভোট।’
এর আগে দুপুরে হযরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘গণভোট ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্ধারণ করবে। এই ভোট শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয় বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশর রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।’





