দিপু হত্যায় নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাত ভালুকায় গ্রেপ্তার

পুলিশি হেফাজতে ইয়াসিন আরাফাত
পুলিশি হেফাজতে ইয়াসিন আরাফাত | ছবি: সংগৃহীত
3

ময়মনসিংহের ভালুকায় পাইওনিয়ার নিটওয়্যার বিডি লিমিটেডের শ্রমিক দিপু চন্দ্র দাস (২৮) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী ইয়াছিন আরাফাতকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল (বুধবার, ৭ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির সহযোগিতায় ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানান ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল মামুন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল ভূমিকা ছিল ইয়াছিনের। উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে তিনি দিপুকে নির্মমভাবে মারধর করেন। দিপুকে হত্যার পর তার নিথর দেহ রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া এবং সেখানে মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

আরও পড়ুন:

জানা যায়, ইয়াছিন আরাফাত ভালুকার কাশর এলাকায় শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে আসছিলেন। গত ১৮ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ড সংঘটনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। ১২ দিন পলাতক অবস্থায় তিনি ঢাকার ডেমরার বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান নেন এবং পরিচয় গোপন করে ‘সুফফা মাদ্রাসা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) রাত ৯টার দিকে ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ তুলে দিপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহে আগুন দেয় উত্তেজিত জনতা।

এসএইচ