এ সময় তারা লিখিতপত্রে উল্লেখ করে জানান, দীর্ঘদিন ধরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম সারির নেতৃত্বাধীন দায়িত্বশীলদের সাথে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির পথচলায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেছি। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানর পরবর্তী হতে এনসিপি মধ্যমপন্থার রাজনীতি করার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে সে অবস্থান থেকে ইতিমধ্যে তারা সরে দাঁড়ানোর ফলে আমরা স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা করি। আমরা এখনো কোন দলে যুক্ত হইনি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।
বহিস্কৃত বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা এনসিপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক শুভ বলেন, ‘আমরা মনেপ্রাণে ধারণ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি সংগঠন করেছি। এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিরলস ভুমিকা রেখেছি। পরবর্তীতে রাষ্ট্র সংস্কার করার লক্ষ্যে একটি ৩ দলীয় জোটবদ্ধ হয়। এতে কোনো সমস্যা ছিলনা।’
আরও পড়ুন:
ওমর ফারুক শুভ বলেন, ‘কিন্তু সংগঠন জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্র করে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় জোটেবদ্ধ করাতে এবং নিজস্ব মতাদর্শ থেকে সরিয়ে দাড়ানোর জন্য দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বরাবর এ প্রদত্যাগ পত্র পাঠানে হয়েছে। পদত্যাগপত্রটি গৃহিত হলে পরবর্তী অবস্থান জানিয়ে দেয়া হবে।’
এছাড়াও এনসিপির জেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম, সদস্য নুরে আজিম, মো. জুনায়েদ হোসেন ও আজিমুল হক একই সাথে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ওমর ফারুক শুভর বিরুদ্ধে ফেনী আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ্যের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেল খেটেছেন। অপরদিকে সিভিল সার্জন অফিসে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে এক চাকরি প্রার্থীর কাছে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দাবির ঘটনায় নাহিদ রাব্বির বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য বিভাগ মামলা দায়ের করে।





