কোরীয় প্রেসিডেন্ট আরও অভিযোগ করেন, বিরোধীদলের নেতারা পার্লামেন্ট নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পিয়ং ইয়ং'এর হয়ে সাফাই দেয়ার চেষ্টা করছেন। যদিও উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যম বলছে, সামরিক আইন কার্যকরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা কখন থেকে নেয়া হবে এ নিয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা দেয়নি প্রশাসন।
ওয়াইটিএন টিভি জানাচ্ছে সামরিক আইন কার্যকর ইস্যুতে পার্লামেন্টে বিশেষ অধিবেশন ডাকার পরিকল্পনা করছেন দেশটির স্পিকার। যদিও তার অভিযোগ পার্লামেন্টে প্রবেশের পথ বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনো আইন প্রণেতাই প্রবেশ করতে পারছেন না।
এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে সামরিক আইন জারি করা- বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দেয়। ২০২২ সালের মে মাসে ক্ষমতা গ্রহণের পর পিপল'স পাওয়ার দলের প্রেসিডেন্ট ইয়ুনকে একের পর এক চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি।
বিশেষ করে, পার্লামেন্টের নিয়ন্ত্রণ বিরোধীদের হাতে থাকায় সংবিধানিক উপায়ে দেশ চালাতে গিয়ে বারবারই হোঁচট খেয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট।


 specialises in using seismological data to track nuclear tests-320x167.webp)


