দেশে এখন
পশুর চ্যানেলে চালবোঝাই বাল্কহেড ডুবি
বাগেরহাটের মোংলা পশুর চ্যানেলে চলছে ডুবে যাওয়া বাল্কহেড থেকে চাল উত্তোলনের কাজ। সরকারি খাদ্য গুদামের উদ্যোগে উদ্ধার কাজে অংশ নিয়েছেন শ্রমিক ও ডুবুরি। এদিকে পশুর চ্যানেলে স্বাভাবিক রয়েছে নৌযান চলাচল।

রোববার (৩১মার্চ) পশুর চ্যানেলের ত্রিমোহনায় ডুবে যায় এমভি সাফিয়া নামের বাল্কহেড। খুলনা থেকে সরকারি ১৭৫ টন চাল বোঝাই করে মোংলা খাদ্য গুদামের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল নৌযানটি। এমভি শাহজাদা ৬ নামের একটি লাইটার জাহাজের ধাক্কায় ৬ হাজার বস্তা চালসহ ডুবে যায় বাল্কহেডটি।

সোমবার সকাল থেকে ডুবে যাওয়া চাল উদ্ধারে কাজ করে ৫০ জন শ্রমিক ও ৭ জন ডুবুরি। দুই দিনের মধ্যে চাল ওঠানো শেষ হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, দীর্ঘক্ষণ পানির নিচে থাকায় অনেক বস্তা ফেটে গেছে। ভিজে নষ্ট হওয়ার পথে বেশিরভাগ চাল।

বাল্কহেডে দুটি প্রতিষ্ঠানের পণ্য ছিল। প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিরা বলেন, খুলনা মহেশ্বরপাশা খাদ্যগুদাম থেকে চাল নিয়ে নৌযানটি ছেড়ে আসে। সরকারিবিধি অনুযায়ী আমরা চাল উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এ পর্যন্ত ৫০০ বস্তার মতো বস্তা চাল খালাস হইছে।

এদিকে বাল্কহেডটিকে ধাক্কা দেওয়া লাইটার জাহাজ এমভি শাহজাদাকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন মোংলা নৌ পুলিশের ইনচার্জ সৈয়দ ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, 'আমরা লাইটার জাহাজটি আটক করি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।'

মোংলা খাদ্য গুদামের পরিদর্শক মো. আশরাফুল হক বলেন, 'এ মোংলা খাদ্য গুদামে একটি চালের চালান আসার কথা ছিল। কিন্তু ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটিতে থাকা চাল এ গুদামের কিনা, সেই ব্যাপার আমার কিছু জানা নেই।'

ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটিতে সরকারি খাদ্য গুদামের প্রায় ৬ হাজার বস্তা চাল ছিল। প্রতি বস্তায় ছিল ৩০ কেজি করে চাল।

এভিএস