ফুটবল
এখন মাঠে
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্ব বাংলার মেয়েদের
শুধু সাফের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই হবে না, খেলতে হবে এশিয়ান অঞ্চলের শক্তিশালী দলগুলোর সাথে। তাহলে বাংলাদেশের নারীরা পাবেন পারফরম্যান্স যাচাইয়ের সুযোগ। এমনটাই বলছেন সাবেক ফুটবলাররা। তারা মনে করেন র‌্যাংকিংয়ের ওপরের সারির দলের সাথে নিয়মিত খেললে আত্মবিশ্বাস বাড়বে মেয়েদের।

সাফ ফুটবলে শিরোপা জেতা যেন নিয়মেই পরিণত করেছেন বাংলাদেশের নারীরা। এইতো ক'দিন আগে নেপালে অনূর্ধ্ব-১৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা উৎসব করেছেন বাংলার মেয়েরা। তার কিছুদিন আগে ঘরের মাঠে জিতেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ সাফের শিরোপা।

বিগত বছরগুলোতেও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে রাজত্ব করেছেন লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। নারী সাফের যেকোনো টুর্নামেন্টে শিরোপার শক্ত দাবিদার থাকে বাংলাদেশ। ফেভারিট তকমা থাকায় শুধু সাফের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী দলের সাথে খেলার পরামর্শ দিলেন সাবেকরা।

বাংলাদেশ দলের সাবেক ফুটবলার জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, 'আমি যতটুকু জানি যে গত ৭ টা ট্রফি বাংলাদেশ নারীরা জিতেছে। নারী দল যেহেতু ভালো করছে তাদেরকে নিয়ে আলাদা একটা প্লান করা উচিত।'

আরেক সাবেক ফুটবলার আবদুল গাফফার বলেন, 'আমাদের যদি নেক্সট টার্গেট এশিয়া কাপ হয় তাহলে আরও শক্তিশালী দলের সাথে খেলতে হবে।'

এশিয়ান অঞ্চলের দলগুলোর সাথে খেললে ম্যাচ হারের সম্ভাবনাই বেশি থাকবে। হারলেও সেখান থেকে নিজেদের শক্তিমত্তা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাবে বাংলাদেশের মেয়েরা। এতে করে আত্মবিশ্বাসও বাড়বে তাদের। এমনটাই মনে করছেন সাবেক দুই ফুটবলার।

সাবেক ফুটবলার আবদুল গাফফার আরও বলেন, 'এধরনের বড় ম্যাচগুলোতে ভয় পেয়ে যদি না খেলতে যায় তাহলে সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা হবে না।'

ফুটবল সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, নারী ফুটবলারদের জন্য শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সাথে ম্যাচ আয়োজন করতে হলে উদ্যোগী হতে হবে ফুটবল ফেডারেশনকে। সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে পৃষ্ঠপোষকদেরও।

ইএ