পবিত্র লাইলাতুল কদর
শবে কদরের মহিমা: এ রাতে যেসব রহমত নাজিল হয়

শবে কদরের মহিমা: এ রাতে যেসব রহমত নাজিল হয়

পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মহিমান্বিত রাত হলো লাইলাতুল কদর (Lailatul Qadr) বা শবে কদর। এই রাতের মর্যাদা, ফজিলত ও বরকত এতটাই মহান যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই রাতের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি পূর্ণাঙ্গ সূরা—সুরা আল-কদর (Surah Al-Qadr) নাজিল করেছেন। শবে কদর হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত (Special Mercy) নাজিল, ফেরেশতাদের আগমন এবং বান্দার দোয়া কবুল হওয়ার এক অনন্য রজনী।

শবে কদরের বিশেষ ১৬ আমল: হাজার মাসের সওয়াব পেতে যেভাবে রাত কাটাবেন

শবে কদরের বিশেষ ১৬ আমল: হাজার মাসের সওয়াব পেতে যেভাবে রাত কাটাবেন

পবিত্র কোরআন নাজিলের রাত ‘লাইলাতুল কদর’ (The Night of Decree)। এই রাতের গুরুত্ব ও ফজিলত এতই বেশি যে, মহান আল্লাহ এ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সুরা নাজিল করেছেন। শবে কদরের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। এই মহিমান্বিত রাতে আল্লাহর রহমত ও মাগফেরাত লাভের জন্য বিশেষ কিছু আমল (Islamic rituals) রয়েছে। নিচে শবে কদরের বিশেষ ১৬টি আমল বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো যা আপনার পরকালীন পাথেয় হতে পারে:

মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর আজ

মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর আজ

আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর (Holy Lailatul Qadr) বা শবেকদর। মহিমা, পবিত্রতা ও গভীর ভাবগাম্ভীর্যের আবহে সূর্যাস্তের পর থেকেই সারা দেশে শুরু হবে এ বরকতময় রজনী উদ্যাপন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সারা রাত ইবাদত-বন্দেগি (Worship), তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে নিজেদের সঁপে দেবেন মাবুদের দরবারে। রমজানের শেষ প্রান্তে এসে মুসলিম উম্মত অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে এ মহিমান্বিত রাতের (Glorious night) জন্য। এটি এমন এক পবিত্র রজনী, যার মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।

লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

লাইলাতুল কদর উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল (সোমবার, ১৬ মার্চ) দিবাগত রাতের পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে আজ (রোববার, ১৫ মার্চ) দেওয়া বাণীতে এ শুভেচ্ছা জানান তিনি।

লাইলাতুল কদরে যে ৬টি দোয়া অবশ্যই পড়বেন

লাইলাতুল কদরে যে ৬টি দোয়া অবশ্যই পড়বেন

পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে লুকিয়ে আছে লাইলাতুল কদর (Laylatul Qadr)। এই রাতটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় এই রাতে ইবাদত করবে, তার পূর্বের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। এই মহিমান্বিত রাতে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ৬টি বিশেষ দোয়া পাঠ করা জরুরি।

শবে কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম ও ফজিলত

শবে কদরের নামাজ পড়ার নিয়ম ও ফজিলত

পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে মহিমান্বিত রাত হলো লাইলাতুল কদর (Lailatul Qadr) বা শবে কদর। ফারসি 'শব' শব্দের অর্থ রাত আর 'কদর' অর্থ সম্মান বা ভাগ্য। মহান আল্লাহ এই রাতকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম ঘোষণা করেছেন। গুনাহ মাফ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এই রাতটি মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরে বসে পরিবার নিয়ে যেভাবে লাইলাতুল কদর খুঁজবেন

ঘরে বসে পরিবার নিয়ে যেভাবে লাইলাতুল কদর খুঁজবেন

পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশ দিন (Last ten days of Ramadan) মুমিন মুসলমানের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির এক অনন্য সুযোগ। এই মহিমান্বিত সময়ে ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকা এবং পরিবারের সদস্যদেরও এতে শামিল করা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম সুন্নাহ। হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রমজানের শেষ দশক এলে নবীজি ইবাদতের জন্য কোমর বেঁধে নিতেন, সারারাত জেগে ইবাদত করতেন এবং নিজের পরিবারকেও জাগিয়ে তুলতেন (সহিহ বুখারি)।

ইতিকাফের জন্য কখন মসজিদে প্রবেশ করতে হবে? জেনে নিন সঠিক সময় ও নিয়ম

ইতিকাফের জন্য কখন মসজিদে প্রবেশ করতে হবে? জেনে নিন সঠিক সময় ও নিয়ম

পবিত্র রমজান মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইতিকাফ (Itikaf)। আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় নির্দিষ্ট সময়ে মসজিদে অবস্থান করাকে শরীয়তের পরিভাষায় ইতিকাফ বলা হয়। রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া (Sunnah al-Muakkadah al-Kifayah)। অর্থাৎ, মহল্লার কিছু মানুষ এটি আদায় করলে সবাই দায়মুক্ত হবে, নতুবা মহল্লার সকলকে এর দায়ভার বহন করতে হবে।

রমজানের শেষ দশক: কেন এই ১০ দিন মুমিনদের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার?

রমজানের শেষ দশক: কেন এই ১০ দিন মুমিনদের জন্য শ্রেষ্ঠ উপহার?

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসা পবিত্র রমজান (Ramadan) মাস মুমিনদের জন্য এক বিশেষ তুহফা। পুরো মাসটিই বরকতময় হলেও রমজানের শেষ দশক (Last Ten Days of Ramadan) ইসলামের দৃষ্টিতে অধিক মহিমান্বিত ও মর্যাদাপূর্ণ। ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের এটিই শ্রেষ্ঠ সময়।