কোরবানি পশু
ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক কোরবানির পশু জবাই করার নিয়ম ও দোয়া

ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক কোরবানির পশু জবাই করার নিয়ম ও দোয়া

ইসলামে খাদ্য গ্রহণ কেবল দৈহিক চাহিদা পূরণের বিষয় নয়; এটি ইবাদত ও তাকওয়ার (Worship and Piety) সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। একজন মুসলমান কী খাবে, কীভাবে খাবে, এমনকি সেই খাদ্য প্রস্তুতের পুরো প্রক্রিয়াও ইসলামি শরিয়তের (Islamic Shariah Law) অধীন। পশু জবাই করার সঠিক নিয়ম এর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ (Proper Islamic Method and Dua for Halal Animal Slaughtering)। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে পশু জবাইয়ের পদ্ধতি সুস্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে, যাতে মানবিকতা, পবিত্রতা ও আল্লাহভীতির এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটে।

পশু পালনে ব্যয় বৃদ্ধি, ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় পাবনার খামারিরা

পশু পালনে ব্যয় বৃদ্ধি, ন্যায্যমূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় পাবনার খামারিরা

দেশের কোরবানি পশুর একটা বড় অংশ সরবরাহ হয় পাবনা থেকে। গঠন-আকৃতি আর রঙের কারণে পাবনার গরুর চাহিদা সবসময়ই বেশি। এখানকার কোরবানির পশু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় হয়। তবে এবার পশু লালন পালনে অধিক খরচ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় সাধারণ খামারিরা। যদিও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, বাজার মনিটরিং ও মেডিকেল টিমের পাশাপাশি পশুর ন্যায্যমূল্য পাবে খামারিরা।

কোরবানির জন্য সঠিক পশু নির্বাচনের উপায়: সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত গরু-ছাগল চেনার কৌশল

কোরবানির জন্য সঠিক পশু নির্বাচনের উপায়: সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত গরু-ছাগল চেনার কৌশল

মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা (Eid-ul-Adha) বা কোরবানির ঈদ দরজায় কড়া নাড়ছে। প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি (Animal Sacrifice) করে থাকেন। তবে অনেকেই হাটে গিয়ে সুস্থ পশু চেনা, নির্দিষ্ট বয়স ও কোরবানির পশুর শারীরিক ত্রুটি শনাক্ত করতে না পেরে নানা সমস্যায় পড়েন। বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (Agriculture Information Service - AIS) এবং শরীয়তের বিধান অনুযায়ী কোরবানির (How to Select the Right Qurbani Animal) আগে সঠিক ও সুস্থ পশু নির্বাচনের কিছু জরুরি গাইডলাইন নিচে তুলে ধরা হলো।

কোরবানির পশুর কোন অংশ খাওয়া নিষেধ: ইসলাম ও হাদিসের আলোকে নিষিদ্ধ ৭টি জিনিস

কোরবানির পশুর কোন অংশ খাওয়া নিষেধ: ইসলাম ও হাদিসের আলোকে নিষিদ্ধ ৭টি জিনিস

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে সামর্থ্যবান মুসলমানেরা পশু কোরবানি করে থাকেন। ইসলামে জিলহজ্ব মাসের ১০ তারিখ ফজরের পর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। কোরবানির পশুর গোশত খাওয়া এবং তা আত্মীয়-স্বজন ও গরিবদের মাঝে বণ্টন করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ হলেও, পশুর (Forbidden Parts of Qurbani Animal) সব অংশ খাওয়া ইসলামে বৈধ নয়।

যাদের কোরবানি কবুল হয় না:  কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

যাদের কোরবানি কবুল হয় না: কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে ৩ শ্রেণির মানুষ

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও স্বাভাবিক জ্ঞানসম্পন্ন মুসলমানের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব (Wajib)। শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, কারও কাছে যদি সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা অথবা এর সমপরিমাণ নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক সম্পদ থাকে, তবে তার ওপর কোরবানি (Whose Qurbani is Not Accepted) আবশ্যক।

সৌদি আরবে কবে হতে পারে ঈদুল আজহা? জানা যাবে রোববার

সৌদি আরবে কবে হতে পারে ঈদুল আজহা? জানা যাবে রোববার

আগামীকাল (রোববার, ১৭ মে) দেশের সাধারণ জনগণকে পবিত্র জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব (Saudi Arabia Eid-ul-Adha 2026 Date)। গতকাল (শুক্রবার, ১৫ মে) সৌদির সুপ্রিম কোর্ট (Saudi Supreme Court) এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় এই আহ্বান জানায়। যদি ওইদিন সন্ধ্যায় আরবের আকাশে জিলহজ্ব মাসের নতুন চাঁদ দেখা যায়, তবে আগামী ২৭ মে (বুধবার) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ (Eid-ul-Adha) উদযাপিত হবে।

ভাগে কোরবানি দেওয়ার নিয়ম ও শর্ত: যেভাবে ভাগ করলে শুদ্ধ হবে

ভাগে কোরবানি দেওয়ার নিয়ম ও শর্ত: যেভাবে ভাগ করলে শুদ্ধ হবে

পবিত্র ঈদুল আজহায় (Eid-ul-Adha) সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। অনেকেই আর্থিক সামর্থ্যের অভাব কিংবা অন্য নানা কারণে একা কোরবানি না দিয়ে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বা শরিকে কোরবানি (Joint Qurbani or Share Qurbani) দিয়ে থাকেন। তবে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ভাগে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম ও শর্ত (Rules and Conditions) কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। এর ব্যতিক্রম হলে কারও কোরবানিই (Rules of Joint Qurbani) শুদ্ধ হবে না।

কোরবানির গোশত কি ৩ দিনের বেশি রাখা যাবে? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান

কোরবানির গোশত কি ৩ দিনের বেশি রাখা যাবে? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান

কোরবানি (Qurbani) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একটি অনন্য ইবাদত। ১০ থেকে ১২ জিলহজ্ব পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নেসাব পরিমাণ (Nisab amount) সম্পদের মালিকের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে কোরবানি (Storing Qurbani Meat Rules) পরবর্তী সময়ে গোশত কতদিন রাখা যাবে, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।

দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া কি জায়েজ? জেনে নিন ইসলামের বিধান

দুই ভাই মিলে এক ভাগে কোরবানি দেয়া কি জায়েজ? জেনে নিন ইসলামের বিধান

ইসলামের অন্যতম ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হলো কোরবানি (Qurbani), যার মূলে রয়েছে আত্মত্যাগের ঐতিহাসিক মহিমা। আদি পিতা আদম (আ.)-এর দুই পুত্র হাবিল ও কাবিলের মাধ্যমে এই ইবাদত শুরু হলেও, হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল (আ.)-এর আত্মবিসর্জন কিয়ামত পর্যন্ত মুমিনদের জন্য এক অনন্য শিক্ষা (Teaching of Sacrifice)। বর্তমান সময়ে অনেক যৌথ পরিবারে দুই ভাই মিলে একটি ভাগে কোরবানি দিতে চান, তবে এ বিষয়ে শরিয়তের সুস্পষ্ট বিধান (Qurbani Rules for Two Brothers) রয়েছে।

কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হয়? সামর্থ্যবানদের জন্য ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হয়? সামর্থ্যবানদের জন্য ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলামি শরিয়তে কোরবানি (Qurbani/Udhiyah) একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও আত্মিক ইবাদত। প্রতি বছর জিলহজ্ব মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোরবানি করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর আবশ্যক বা ওয়াজিব (Wajib)। কিন্তু অনেক সময় সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে অবহেলা করে কোরবানি দেন না। প্রশ্ন হলো, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হবে?

ঋণ থাকলে কোরবানি হবে কি? জানুন ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা

ঋণ থাকলে কোরবানি হবে কি? জানুন ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা

পবিত্র জিলহজ্ব মাস সমাগত। মুসলিম উম্মাহর সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব (Qurbani is Wajib) বা আবশ্যক। তবে আমাদের সমাজে অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তারা ঋণগ্রস্ত। এ অবস্থায় কোরবানি দেওয়া কি বাধ্যতামূলক, নাকি ছাড় রয়েছে? ইসলামের বিধান অনুযায়ী ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির কোরবানির হুকুম নির্ভর করে তার বর্তমান আর্থিক অবস্থার ওপর।

কবে পবিত্র ঈদুল আজহা? কোরবানির সম্ভাব্য তারিখ জানালো যেসব দেশ

কবে পবিত্র ঈদুল আজহা? কোরবানির সম্ভাব্য তারিখ জানালো যেসব দেশ

বিশ্বজুড়ে মুসলিম সম্প্রদায় এখন জিলহজ মাসের পবিত্র চাঁদের অপেক্ষায় রয়েছেন। সৌদি আরব, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোতে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশে ঈদ (Eid in Bangladesh) উদযাপিত হয়।