
রমজান ও কোরআন নাজিল: পবিত্র গ্রন্থের শিক্ষা আমরা জীবনে কতটা প্রয়োগ করছি?
পবিত্র রমজান (Ramadan) মাস মূলত কোরআন নাজিলের মাস (Month of Quran revelation)। মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, "রমজান মাস, যাতে কোরআন নাজিল করা হয়েছে মানবজাতির জন্য হেদায়েতস্বরূপ" (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)। এই মাস কেবল সিয়াম-সাধনার নয়, বরং আল্লাহর কালামের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার শ্রেষ্ঠ সময়। তবে প্রশ্ন থেকে যায়—আমরা কি কোরআনকে শুধু তিলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছি, নাকি বাস্তব জীবনে এর প্রয়োগ করছি?

রমজানে যাদের রোজা-নামাজ এমনকি তওবাও কবুল হয় না
পবিত্র রমজান মাস (Ramadan) গুনাহ মাফ ও তাকওয়া (Taqwa) অর্জনের এক বিশেষ সুযোগ। মুমিনদের জন্য এ মাসে যেমন অফুরন্ত সওয়াবের দরজা খোলা থাকে, তেমনি মহিমান্বিত এই মাসেই পবিত্র কোরআন নাযিল (Quran Revelation) হয়েছে। কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, ইসলামের প্রধান স্তম্ভ রোজা (Fasting) ও নামাজ (Salah) আদায়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে কিছু বিশেষ পাপ ও আচরণের কারণে ৬ ধরনের ব্যক্তির ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। এমনকি এক শ্রেণির মানুষের তওবাও (Repentance) কবুল হয় না বলে হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।

কোরআনের ব্যাখ্যায় এআই ব্যবহারের সতর্কতা, কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিপজ্জনক হতে পারে?
বর্তমান যুগে দৈনন্দিন কাজে আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) বা এআই প্রযুক্তির ওপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। তবে ইসলামের সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গা—পবিত্র কোরআনের ব্যাখ্যা বা তাফসির (Tafsir) করার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহারের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞ আলেমরা। তারা মনে করেন, যান্ত্রিক মেধার মাধ্যমে ঐশ্বরিক বাণীর বিধান আহরণ করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী অনুমোদিত নয়।

মৃত ব্যক্তির পাশে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার বিধান, মুমূর্ষু থেকে দাফন পর্যন্ত করণীয়
মানুষের শেষ বিদায়ের মুহূর্তটি অত্যন্ত গুরুত্ববহ। ইসলামে মৃত্যুর আলামত দেখা দেওয়া থেকে শুরু করে কবরস্থ করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। বিশেষ করে মৃত্যুর পর লাশের পাশে বসে কোরআন তেলাওয়াত (Quran Recitation) ও তালকিন (Talqin) করার সঠিক পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে অনেক জিজ্ঞাসা থাকে। মুফতি ও ফিকাহবিদদের মতেই এই আমলগুলোর সঠিক রূপরেখা তুলে ধরা হলো।

নামাজে সাহু সিজদা করার কারণ কী, কখন দিতে হয়?
নামাজ হলো ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। কিন্তু মানুষ হিসেবে নামাজে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। মহান আল্লাহ্র এক বিশেষ রহমত হলো ‘সাজদাহ সাহু’ বা ‘ভুলের সিজদা’ (Sajdah Sahw)। এই বিধানের মাধ্যমে সামান্য ত্রুটিযুক্ত নামাজও পূর্ণতা লাভ করে। ইসলামি ফিকাহ অনুযায়ী, সাজদাহ সাহু হলো নামাজের শেষাংশে বা সালামের পর আদায় করা দুটি অতিরিক্ত সিজদা, যা ভুলবশত কোনো রুকন (Fundamental Pillar) ছেড়ে গেলে, কোনো ওয়াজিব (Necessary Act) অতিরিক্ত করে ফেললে, বা রাকাত সংখ্যা নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হলে তা পূরণ করার জন্য দেওয়া হয়। সিজদায়ে সাহু কখন দিতে হয়? কেন দিতে হয়? এবং দেয়ার নিয়ম কী— নিচে এর সংক্ষিপ্ত আলোচনা দেওয়া হলো।

নৈতিকতা ও মূল্যবোধে এক্সিলেন্সি অর্জন করতে হবে: জামায়াত আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থাকে ছাত্রী অঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের মাধ্যমে ছাত্রীদের উন্নত নৈতিক চরিত্র গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে যেমন এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করতে হবে, তেমনি নৈতিকতা ও মূল্যবোধের স্থানেও এক্সিলেন্সি অর্জন করতে হবে।