
হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের খবরে তেলের বাজারে বড় দরপতন
যুদ্ধবিরতির বাকি সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ ঘোষণা করেছে ইরান। তেহরানের এ ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। খবর বিবিসির।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে শেয়ারবাজার চাঙা; তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে
সপ্তাহান্তে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি নিয়েও বিনিয়োগকারীরা আশাবাদী থাকায় আজ (শুক্রবার, ১০ এপ্রিল) শেয়ারবাজারে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এরইসঙ্গে তেলের দাম সামান্য বেড়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের সময়সীমা ঘনিয়ে আসায় তেল ১১০ ডলারের কাছাকাছি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে আজ (মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারের কাছাকাছি ছিল। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়ালো ১১৬ ডলার
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বাবাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ইরানে স্থল আক্রমণ করতে পারে, তার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। এ খবরে আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) তেলের দাম বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার খবরে তেলের দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ব্যাকচ্যানেল আলোচনার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট নর্থ সি ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৫৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম আবার ১০০ ডলারের ওপরে
গতকাল (সোমবার, ২৩ মার্চ) বড় পতনের পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে। আজ (মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ) সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের এই মানদণ্ডের দাম ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ দশমিক ৬৯ ডলার (৭৭ দশমিক ৪২ পাউন্ড) হয়েছে। একই সময়ে নাইমেক্স লাইট সুইটের দাম ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ৯১ দশমিক ৫৫ ডলারে দাঁড়ায়।

কৌশলগত মজুত ছাড়ের ঘোষণাতেও ব্যারেলপ্রতি ১০১ ডলার ছাড়াল তেলের দাম
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) ইতিহাসের সর্বোচ্চ পরিমাণ কৌশলগত মজুত তেল ছাড়ার ঘোষণা দিলেও অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের ফিউচার প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। একই সময়ে ব্রেন্টের দাম প্রায় ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। এমন তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

‘অস্থিতিশীল’ বিশ্ববাজার, মজুত তেল ছাড়ার উদ্যোগ বিভিন্ন দেশের
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ঘিরে জ্বালানি তেলের দামে অস্থিরতা বাড়ায় বাজার স্থিতিশীল করতে কৌশলগত মজুত বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। জার্মানির অর্থমন্ত্রী কাথেরিনা রাইখে জানিয়েছেন, ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) এর ৩২ সদস্য দেশকে সম্মিলিতভাবে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়তে বলা হয়েছে। এ পরিমাণ তেলের মজুত সদস্য দেশগুলোর মোট সরকারি রিজার্ভের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ, তেল উৎপাদন কমাল কুয়েত
মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল উৎপাদন কমানো শুরু করেছে ওপেকের পঞ্চম বৃহত্তম উৎপাদক কুয়েত। দেশটি প্রতিদিন প্রায় ২৬ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করে।

ইরানে হামলার সম্ভাবনা: তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা, চাপ বাড়বে মার্কিনিদের ওপর
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালায়, তাহলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। দেশটির হাতে রয়েছে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম প্রমাণিত তেল মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশের নিয়ন্ত্রণ। ফলে যেকোনো সংঘাতের প্রভাব সরাসরি তেলের দামে পড়তে পারে। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদসংস্থা সিএনএনের এক বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণ-রুপার দাম আকাশছোঁয়া, ব্রেন্ট ক্রুড ৬৯ ডলার ছাড়ালো
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার সঙ্গে বিশ্ববাজারে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে স্বর্ণ, রুপা ও জ্বালানি তেলের দাম। এসব খাতে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ বাড়ানোয় দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগের খাত হয়ে ওঠা প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫শ’ ১১ ডলারে। আর প্রতি আউন্স রুপার দাম ১১৮ ডলারের বেশি। অন্যদিকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৬৯ ডলার ছাড়িয়েছে। বিপরীতে পতনের কবলে মার্কিন ডলার।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে বেড়েছে স্বর্ণ ও তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে স্বর্ণ ও তেলের দাম বেড়েছে। চলমান পরিস্থিতিতে সরবরাহ কমার আশঙ্কায় অস্থির হয়ে উঠেছে বিশ্ববাজার।