
লাভজনক হওয়ায় ফরিদপুরে বাড়ছে আম চাষ
কৃষিপ্রধান জেলা ফরিদপুরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে- বাণিজ্যিক আম চাষ। আধুনিক পদ্ধতি, সরকারি সহযোগিতা এবং লাভজনক বাজার ব্যবস্থার কারণে প্রতি বছরই বাড়ছে আম বাগানের সংখ্যা। কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে, এ বছর প্রায় ২ হাজার টন আম উৎপাদিত হবে, যা স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা যাবে।

যশোরে মিষ্টি আঙুর চাষে সাফল্য; আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
যশোরে বাণিজ্যিকভাবে মিষ্টি জাতের আঙুর চাষ করে সফলতা পেয়েছেন চাষিরা। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ আঙুরের ক্ষেত দেখতে ভিড় করছেন। আর ঝুলন্ত আঙুর দেখে অনেকে আঙুর চাষে উৎসাহীও হচ্ছেন। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেয়া হয়েছে।

নেত্রকোণায় আগাম বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি; লোকসানের মুখে হাওরের কৃষকরা
পানি নেমে যাওয়ায় নেত্রকোণায় ডুবে যাওয়া ফসল কেটে ঘরে তুলছেন হাওরের কৃষকরা। বাড়তি টাকা খরচ করে ফসল কাটলেও অনেক ধান এখন বিক্রির অনুপযোগী। সব মিলিয়ে অতিবৃষ্টি ও আগাম বন্যায় জেলায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ৩৭৫ কোটি টাকা। কৃষি বিভাগ বলছে, তালিকা করে প্রণোদনার আওতায় আনা হচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের।

ভারত থেকে আসা উজানের ঢলে তলিয়ে গেছে সাড়ে চারশো বিঘা ধানখেত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় সাড়ে চারশো বিঘা আধাপাকা ধানখেত। গত তিন দিন থেকে আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) দুপুর পর্যন্ত উপজেলার সীমান্তঘেঁষা রাধানগর ইউনিয়নের বিল তিলনা, তিলকুচ, সুখডোবা ও গুমরোহিল এলাকার বিস্তীর্ণ জমিতে পানি ঢুকে অন্তত ৬০ হেক্টর ধান ডুবে গেছে। এতে ক্ষতির মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে আগেভাগেই আধাপাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা।

হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি; সর্বস্ব হারিয়ে বিপন্ন কৃষকরা
হবিগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। জেলার বিস্তীর্ণ হাওরের ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে রোদের অভাবে মাড়াই করা ধানও শুকাতে না পারায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে জলে-স্থলে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে কৃষি বিভাগ।

পানিতে ভাসছে হাওরের ধান; ঋণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় নেত্রকোণার কৃষকরা
নেত্রকোণায় অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত দশ হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। পানিতে নেমে ধান সংগ্রহের চেষ্টা করছেন কৃষকরা। তবে শ্রমিক সংকটে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ধান সংগ্রহ। স্থানীয়রা বলছেন, দেনা পরিশোধ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। অন্যদিকে কৃষি বিভাগ বলছে, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ক্ষতির পরিমাণ কমবে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫০ ইউনিয়নে অকেজো ‘কৃষি তথ্য বোর্ড’
কৃষকদের কৃষি আবহাওয়ার তথ্য পৌঁছে দিতে ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে স্থাপন করা হয়েছিলো তথ্য বোর্ড। এতে থাকার কথা আগে ও পরের তিন দিনের কৃষিভিত্তিক আবহাওয়ার হালনাগাদ তথ্যের ছক। তবে স্থাপনের কয়েক বছরে সুফল পাওয়া তো দূরের কথা, এ সম্পর্কে জানেনই না কৃষকরা। দীর্ঘদিন পড়ে থেকে নষ্ট হয়েছে যন্ত্রপাতি।

কিশোরগঞ্জে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে ফসল; কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ
বৈরী আবহাওয়ায় আবারও বদলে গেছে কিশোরগঞ্জের বোরো ফসলের চিত্র। গতকাল (বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল) রোদের দেখা মিললেও আজ (শুক্রবার, ১ মে) সকাল থেকে আবহাওয়া আবারও খারাপ হতে শুরু করেছে। এতে বাড়তে থাকা পানিতে, তলিয়ে যাচ্ছে বোরো ধান।

পাহাড়ি ঢলে ভাসছে নেত্রকোণার হাওর: তলিয়ে গেছে ১০ হাজার হেক্টর পাকা ধান
উজানের পাহাড়ি ঢল আর টানা বর্ষণে ভাসছে নেত্রকোণার হাওড়া অঞ্চল। চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে মাইলের পর মাইল সোনালি ধানের ক্ষেত। বিশেষ করে জেলার খালিয়াজুরী, মদন ও মোহনগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো পাকা ধানের জমি পানির নিচে।

কম খরচে বেশি লাভ হওয়া মিষ্টি আলুর চাষে ঝুঁকছেন শেরপুর চাষিরা
কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় কোকেই-১৪ জাতের মিষ্টি আলু চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। ব্যাপক ফলনে বাড়ছে চাষের পরিধিও। চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিরও আশা কৃষি বিভাগের।

বেশি লাভের আশায় তামাক চাষ; বন্ধ না হলে বাড়বে পরিবেশগত ঝুঁকি
মানিকগঞ্জে বাড়ছে তামাক চাষের প্রবণতা। ক্ষতিকর জেনেও বেশি লাভের আশায় তামাক চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন তামাক কোম্পানি কৃষকদের প্রলোভন দেখিয়ে তামাক চাষ করাচ্ছেন। এদিকে তামাক চাষ বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।

উচ্চ সুদ আর কৃষি উপকরণ সংকটে দিশেহারা নেত্রকোণার কৃষক
প্রতিবছর ধানের পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলে হাজার কোটি টাকা আয় করে নেত্রকোণা জেলার কৃষকরা। তবে উচ্চ সুদে ঋণ, অনিয়ন্ত্রিত বাজার আর কৃষি উপকরণের সংকট-কৃষকদের বড় চ্যালেঞ্জ। এমন অবস্থায় কৃষকদের দাবি, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাসহ সার ও বীজের সংকট নিরসন হোক। কৃষি বিভাগ বলছে, পর্যায়ক্রমে প্রান্তিক কৃষকদের সবাইকে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে।